WBBSE & WBCHSE পর্ষদ (Class 5–12): সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা নোটস, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর PDF
WBBSE NOTE Logo
WBBSE NOTE
WBBSE & WBCHSE Portal • Class 5–12
মেনু
Logo WBBSE NOTE
Class 5 to 12 • WBBSE & WBCHSE Menu
✕

পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর মাধ্যমিক বাংলা | Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer PDF

Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer এবং পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর নিয়ে আমাদের আজকের এই সাহিত্য নোটবুকে দশম শ্রেণির সকল ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্বাগত। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে লেখা অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সবচেয়ে সাহসী ও ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হওয়া রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’-র নির্বাচিত অংশটি তোমাদের দশম শ্রেণির ‘সাহিত্য সঞ্চয়ন’ বইয়ের অন্যতম সেরা পাঠ্য।

📑 এক নজরে এই নোটের সূচিপত্র (Table of Contents)
  1. পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর — উৎস, চরিত্র ও একনজরে তথ্যসূত্র (Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer Overview)
  2. ১. পথের দাবী গল্পের বাছাই করা MCQ ও এককথায় SAQ প্রশ্নোত্তর (১ নম্বর — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)
  3. ২. পথের দাবী গল্পের ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর (মাধ্যমিক বাংলা পথের দাবী প্রশ্ন উত্তর — ৩ নম্বর মান)
  4. ১. প্রশ্ন: “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলো আনাই বজায় আছে।”—কে, কার সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছিলেন? তাঁর ‘ষোলো আনা শখের’ পরিচয় দাও। (৩ নম্বর ১০০% কমন)
  5. ২. প্রশ্ন: “কেবল আশ্চর্য সেই রোগা মুখের অদ্ভুত দুটি চোখের দৃষ্টি।”—কার চোখের কথা বলা হয়েছে? চোখ দুটির বর্ণনা ও তাৎপর্য লেখো। (৩ নম্বর নিশ্চিত কমন)
  6. ৩. প্রশ্ন: “মনে হলে দুঃখে লজ্জায় ঘৃণায় নিজেই যেন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে যাই।”—বক্তা কে? কোন ঘটনার কথা মনে করে তাঁর এই মনোবেদনা? (৩ নম্বর)
  7. ৪. প্রশ্ন: “তুমি তো ইউরোপিয়ান নও!”—কে, কাকে এবং কোন প্রসঙ্গে এই কথাটি বলেছিলেন? (৩ নম্বর)
  8. ৩. পথের দাবী গল্পের ৫ নম্বরের রচনামূলক বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)
  9. ১. প্রশ্ন: “পোলিটিক্যাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিককে নিমাইবাবুর সম্মুখে হাজির করা হইল।”—এরপর রেঙ্গুন পুলিশ স্টেশনে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে গিরীশ মহাপাত্র পুলিশকে বোকা বানিয়েছিলেন তা পাঠ্যাংশ অবলম্বনে লেখো। (৫ নম্বর — মাধ্যমিক পরীক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন)
  10. ২. প্রশ্ন: ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশ অবলম্বনে অপূর্ব চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো। অথবা, “এমন সৌভাগ্যকে অপূর্বর মন যেন গ্রাহ্যই করিল না”—উদ্ধৃতিটির আলোকে অপূর্বর দেশপ্রেমের পরিচয় দাও। (৫ নম্বর নিশ্চিত কমন)
  11. প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক 
  12. ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সর্বাধিক সার্চ করা প্রশ্নোত্তর (FAQs — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)

পলিটিক্যাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিকের অবিশ্বাস্য ‘গিরীশ মহাপাত্র’ ছদ্মবেশ, রেঙ্গুন পুলিশ স্টেশনে দারোগা নিমাইবাবুর জেরা এবং স্বদেশপ্রেমী যুবক অপূর্বর অন্তর্দ্বন্দ্ব—এই তিনটি দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE)-এর মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রতি বছর প্রশ্ন আসে। ক্লাসরুমে খাতা দেখার সময় দেখেছি, গিরীশ মহাপাত্রের পোশাক ও তাঁর পকেট তল্লাশিতে পাওয়া জিনিসগুলোর নাম লিখতে গিয়ে অনেকেই ছোটোখাটো ভুল করে ফেলে।

তাই আজকের এই মাধ্যমিক বাংলা পথের দাবী প্রশ্ন উত্তর ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পথের দাবী প্রশ্ন উত্তর গাইডে আমরা পাঠ্যাংশের উৎস, চরিত্র পরিচিতি, বাছাই করা MCQ ও SAQ এবং ৩ ও ৫ নম্বরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের আদর্শ পয়েন্টভিত্তিক উত্তর সাজিয়ে দিয়েছি। মাধ্যমিকের সমস্ত বিষয়ের নোটবুক পেতে আমাদের WBBSE NOTE Books Library দেখে নিতে পারো।

পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর — উৎস, চরিত্র ও একনজরে তথ্যসূত্র (Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer Overview)

আমাদের Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer অনুশীলন করার আগে নিচের ছকটি একবার মন দিয়ে দেখে নাও—এখান থেকেই মাধ্যমিক ও টেস্ট পরীক্ষার যাবতীয় MCQ ও ১ নম্বরের SAQ এক নিমেষে উত্তর করতে পারবে:

মূল আলোচ্য বিষয় নির্ধারিত পাঠ্য তথ্য ও বিশ্লেষণ (WBBSE Class 10 Pather Dabi — Sarat Chandra) পরীক্ষায় আসার মতো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট (Exam Key Points)
লেখক ও মূল গ্রন্থ (উৎস) অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬–১৯৩৮; বিখ্যাত উপন্যাস: শ্রীকান্ত, দেবদাস, পল্লীসমাজ, গৃহদাহ, চরিত্রহীন, পথের দাবী) পাঠ্য রচনাংশটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ (১৯২৬ সালে প্রকাশিত) উপন্যাসের ষষ্ঠ ও সপ্তম পরিচ্ছেদ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রধান চরিত্রসমূহ সব্যসাচী মল্লিক (রাজবিদ্রোহী বিপ্লবী — ছদ্মবেশী নাম গিরীশ মহাপাত্র), অপূর্ব (এম.এসসি পাশ ব্রাহ্মণ যুবক, বর্মা অয়েল কোম্পানির বোথাটং অফিসের কর্মচারী), নিমাইবাবু (রেঙ্গুন পুলিশের দারোগা, অপূর্বর কাকা ও বাবার বন্ধু), রামদাস তলওয়ালকর (অপূর্বর মারাঠি সহকর্মী) ও তেওয়ারি (অপূর্বর ভৃত্য) সব্যসাচী মল্লিক বিলাত থেকে ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিলেন এবং দশ-বারোটি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারতেন।
গিরীশ মহাপাত্রের বেশভূষা ও তল্লাশি বয়স ৩০–৩২ বছরের বেশি নয়, মাথায় লেবুর তেলের উগ্র গন্ধ, গায়ে জাপানি সিল্কের রামধনু রঙের চুড়িদার পাঞ্জাবি, বুকপকেটে বাঘ-আঁকা রুমাল, পরনে বিলাতি মিলের কালো মখমল পাড়ের সূক্ষ্ম শাড়ি, পায়ে সবুজ ফুলমোজা (লাল ফিতে দিয়ে বাঁধা) ও লোহার নাল বাঁধানো পাম্প শু, হাতে হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি পকেট থেকে মিলেছিল: একটা টাকা ও গন্ডা ছয়েক পয়সা, কাঠের ফুটরুল, বিড়ি, দেশলাই এবং একটি গাঁজার কলকে!

১. পথের দাবী গল্পের বাছাই করা MCQ ও এককথায় SAQ প্রশ্নোত্তর (১ নম্বর — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)

১. প্রশ্ন: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশটি মূল উপন্যাসের কোন অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং শরৎচন্দ্রের ছদ্মনাম কী?

উত্তর: পাঠ্য ‘পথের দাবী’ রচনাংশটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসের ষষ্ঠ ও সপ্তম পরিচ্ছেদের অংশবিশেষ থেকে সংকলিত হয়েছে। আর শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো ‘অনিলা দেবী’।

২. প্রশ্ন: পলিটিক্যাল সাসপেক্ট কার নাম ছিল এবং তাকে কোথায়, কার সামনে হাজির করা হয়েছিল?

উত্তর: পলিটিক্যাল সাসপেক্ট (রাজনৈতিক সন্দেহভাজন) ব্যক্তির নাম ছিল সব্যসাচী মল্লিক (ছদ্মবেশে গিরীশ মহাপাত্র)। তাঁকে রেঙ্গুন পুলিশ স্টেশনে প্রবীণ বাঙালি পুলিশ দারোগা নিমাইবাবুর সামনে হাজির করা হয়েছিল।

৩. প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্রের বয়স কত ছিল এবং তার মাথার চুলের ছাঁট ও তেলের গন্ধ কেমন ছিল?

উত্তর: গিরীশ মহাপাত্রের বয়স ছিল ত্রিশ-বত্রিশ বছরের অধিক নয়। তাঁর মাথার সামনের দিকে বড়ো বড়ো চুল থাকলেও ঘাড় ও কানের দিকে চুল প্রায় ছিলই না (এমনই ছোটো করে ছাঁটা), মাথায় ছিল চেরা সিঁথি এবং চুলে মাখা উগ্র লেবুর তেলের গন্ধে সারা ঘরটা মাতিয়ে তুলেছিল।

৪. প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্রের গায়ে কী জামা ছিল, বুকপকেটে কী ছিল এবং পরনে কী ছিল?

উত্তর: গিরীশ মহাপাত্রের গায়ে ছিল জাপানি সিল্কের রামধনু রঙের চুড়িদার পাঞ্জাবি, বুকপকেট থেকে বাঘ-আঁকা একটা রুমালের কিছু অংশ দেখা যাচ্ছিল, পরনে ছিল বিলাতি মিলের কালো মখমল পাড়ের সূক্ষ্ম শাড়ি (উত্তরীয় বা চাদর ছিল না) এবং পায়ে ছিল হাঁটু পর্যন্ত লাল ফিতে দিয়ে বাঁধা সবুজ রঙের ফুলমোজা ও তলায় লোহার নাল বাঁধানো বার্নিশ করা পাম্প শু।

৫. প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্রের টিনের তোরঙ্গ ও পকেট তল্লাশি করে কী কী পাওয়া গিয়েছিল?

উত্তর: আমাদের Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer প্রস্তুতিতে সবচেয়ে বেশিবার আসা প্রশ্ন এটি। গিরীশ মহাপাত্রের পকেট থেকে পাওয়া গিয়েছিল একটা টাকা ও গন্ডা ছয়েক পয়সা, লোহার কম্পাস, মাপ করবার কাঠের ফুটরুল, কয়েকটা বিড়ি, একটা দেশলাই এবং একটা গাঁজার কলকে।

৬. প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্র গাঁজার কলকেটি সম্পর্কে নিমাইবাবুকে কী কৈফিয়ত দিয়েছিলেন?

উত্তর: গিরীশ মহাপাত্র নিমাইবাবুকে বলেছিলেন যে তিনি নিজে গাঁজা খান না, তবে তাঁর কোনো বন্ধু-বান্ধবকে দেওয়ার জন্য বা পথে কুড়িয়ে পেয়ে পরের কাজে লাগবে ভেবে গাঁজার কলকেটি পকেটে রেখেছেন।

৭. প্রশ্ন: গিরীশ মহাপাত্র আগে কোথায় কাজ করতেন এবং এখন রেঙ্গুনে কীসের খোঁজে এসেছেন বলে জানিয়েছিলেন?

উত্তর: গিরীশ মহাপাত্র জানিয়েছিলেন যে তিনি আগে হাঁসখালি অথবা সেকেন্দরাবাদে বর্মা অয়েল কোম্পানির তেলে-কলের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন; এক্ষণে তিনি রেঙ্গুনে একটা তামাকের দোকান বা বিড়ি বাঁধার কারখানা খোলার কাজের খোঁজে এসেছেন।

৮. প্রশ্ন: রেঙ্গুনে অপূর্বর বাসায় কে চুরি করেছিল এবং স্টেশনে কারা অপূর্বকে লাথি মেরেছিল?

উত্তর: অপূর্ব যখন রেঙ্গুনের বাসায় ছিল না (ভৃত্য তেওয়ারি বর্মানাচ দেখতে গিয়েছিল), তখন অপূর্বর বাসার নিচের তলার ভাড়াটে বা তার সাঙ্গোপাঙ্গরা চুরি করেছিল এবং উপরতলার খ্রিস্টান মেয়েটি (ভারতী) বাকি জিনিসপত্র বাঁচিয়ে রেখেছিল। আর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বিনা দোষে কয়েকজন ফিরিঙ্গি ছোকরা অপূর্বকে লাথি মেরে প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দিয়েছিল।

৯. প্রশ্ন: “বুনো হাঁস ধরাই যে এদের কাজ।”—উক্তিটি কার এবং এখানে ‘বুনো হাঁস’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: উক্তিটি অপূর্বর অফিসের সহকর্মী রামদাস তলওয়ালকরের। এখানে ‘বুনো হাঁস’ বলতে ইংরেজ সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করা ভারতের মুক্তিকামী বিপ্লবীদের (বিশেষত সব্যসাচী মল্লিককে) বোঝানো হয়েছে।

১০. প্রশ্ন: অপূর্বকে কোম্পানির কাজে কোথায় যেতে হচ্ছিল এবং ট্রেনে তার ঘুম কে বারবার ভাঙিয়ে দিচ্ছিল?

উত্তর: বর্মা অয়েল কোম্পানির বোথাটং-এর বড়োসাহেবের আদেশে অপূর্বকে ব্রহ্মদেশের ‘ভামো’ (Bhamo) শহরে নতুন অফিস পরিদর্শনের কাজে যেতে হচ্ছিল। আর ট্রেনে প্রথম শ্রেণির কামরায় রাত্রিবেলা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর ও সিপাহিরা বারবার এসে অপূর্বর ঘুম ভাঙিয়ে নাম-ঠিকানা লিখে নিচ্ছিল।

২. পথের দাবী গল্পের ৩ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর (মাধ্যমিক বাংলা পথের দাবী প্রশ্ন উত্তর — ৩ নম্বর মান)

১. প্রশ্ন: “বাবুটির স্বাস্থ্য গেছে, কিন্তু শখ ষোলো আনাই বজায় আছে।”—কে, কার সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছিলেন? তাঁর ‘ষোলো আনা শখের’ পরিচয় দাও। (৩ নম্বর ১০০% কমন)

উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশে রেঙ্গুন পুলিশের দারোগা নিমাইবাবু রাজনৈতিক সন্দেহভাজন হিসেবে ধরে আনা ছদ্মবেশী গিরীশ মহাপাত্রের বিচিত্র সাজসজ্জা দেখে কৌতুকের সুরে এই মন্তব্যটি করেছিলেন।

ষোলো আনা শখের পরিচয়: গিরীশ মহাপাত্র ছিলেন অত্যন্ত রোগা এবং অবিরাম কাশছিলেন—যেন তাঁর আয়ু আর বেশি দিন নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর সাজপোশাকের শৌখিনতা ছিল দেখার মতো—মাথার সামনের দিকে বড়ো চুল ও চেরা সিঁথিতে উগ্র লেবুর তেল, গায়ে জাপানি সিল্কের রামধনু রঙের চুড়িদার পাঞ্জাবি, বুকপকেটে বাঘ-আঁকা রুমাল, পরনে বিলাতি মিলের কালো মখমল পাড়ের সূক্ষ্ম শাড়ি, পায়ে লাল ফিতে দিয়ে বাঁধা সবুজ ফুলমোজা ও লোহার নাল বাঁধানো পাম্প শু এবং হাতে হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি! ভগ্ন স্বাস্থ্যের মধ্যেও এমন উদ্ভট বাবুগিরি দেখেই নিমাইবাবু ওই মন্তব্য করেছিলেন।

২. প্রশ্ন: “কেবল আশ্চর্য সেই রোগা মুখের অদ্ভুত দুটি চোখের দৃষ্টি।”—কার চোখের কথা বলা হয়েছে? চোখ দুটির বর্ণনা ও তাৎপর্য লেখো। (৩ নম্বর নিশ্চিত কমন)

উত্তর: আমাদের পথের দাবী গল্পের প্রশ্ন উত্তর সংকলনে এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রেঙ্গুন থানায় আটক করা ছদ্মবেশী গিরীশ মহাপাত্রের (আসলে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের) চোখের দৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।

চোখ দুটির বর্ণনা ও তাৎপর্য: অপূর্ব লক্ষ্য করেছিল যে গিরীশ মহাপাত্রের সারা শরীর ও পোশাক হাস্যকর হলেও তাঁর চোখ দুটি মোটেই সাধারণ নয়। সেই চোখ ছোটো কি বড়ো, টানা কি গোল, দীপ্ত কি প্রভাহীন—তা বিচার করা বৃথা; কিন্তু অত্যন্ত গভীর জলাশয়ের মতো সেই দুই চোখের তলায় যেন তার প্রাণশক্তি লুকানো ছিল। মনে হচ্ছিল সেই চোখের দৃষ্টিতে এমন এক ভয়ংকর গাম্ভীর্য আছে যার সাথে কোনো খেলা চলে না, যেখান থেকে সাবধানে দূরে দাঁড়ানোই শ্রেয়। আসলে শত ছদ্মবেশের আড়ালেও যে মহান বিপ্লবী সব্যসাচীর তেজস্বী আত্মাকে লুকানো যায় না—তাঁর চোখের দৃষ্টিই ছিল তার প্রমাণ।

৩. প্রশ্ন: “মনে হলে দুঃখে লজ্জায় ঘৃণায় নিজেই যেন মাটির সঙ্গে মিশিয়ে যাই।”—বক্তা কে? কোন ঘটনার কথা মনে করে তাঁর এই মনোবেদনা? (৩ নম্বর)

উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ রচনাংশে উদ্ধৃত উক্তিটির বক্তা হলেন স্বদেশপ্রেমী যুবক অপূর্ব। সহকর্মী রামদাস তলওয়ালকরের কাছে তিনি নিজের জীবনের এক চরম অপমানের কথা বলতে গিয়ে এই আক্ষেপ করেছিলেন।

অপমানজনক ঘটনা: একদিন রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকার সময় কয়েকজন ফিরিঙ্গি যুবক বিনা দোষে অপূর্বকে লাথি মেরে প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দেয়। অপূর্ব এই অন্যায়ের বিচার চাইতে সাহেব স্টেশন মাস্টারের কাছে গেলে সাহেব উলটে তাকেই ‘নেটিভ’ বা কালো চামড়ার লোক বলে কুকুরের মতো তাড়িয়ে দেন। সবচেয়ে লজ্জার বিষয় ছিল যে, প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত তথাকথিত ভদ্র ভারতীয় বা দেশি লোকেরাও ভয়ে এই অন্যায়ের কোনো প্রতিবাদ করেনি। নিজের দেশে পরাধীন ভারতীয় হিসেবে এই নিদারুণ লাঞ্ছনার কথা মনে পড়লেই অপূর্ব লজ্জায় ও ঘৃণায় মাটির সঙ্গে মিশে যেত।

৪. প্রশ্ন: “তুমি তো ইউরোপিয়ান নও!”—কে, কাকে এবং কোন প্রসঙ্গে এই কথাটি বলেছিলেন? (৩ নম্বর)

উত্তর: শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশে ভামো যাত্রাপথে ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরায় ঘুম ভাঙানোর প্রতিবাদ করায় পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর ব্যঙ্গ করে অপূর্বকে এই কথাটি বলেছিলেন।

প্রসঙ্গ: অপূর্ব প্রথম শ্রেণির টিকিট কেটে ট্রেনে ভামো যাচ্ছিল। সে ভেবেছিল প্রথম শ্রেণির যাত্রীদের বুঝি কেউ রাত্রিবেলা বিরক্ত করে না। কিন্তু রাতের মধ্যে বার তিনেক পুলিশ এসে তার ঘুম ভাঙিয়ে নাম-ঠিকানা লিখে নেওয়ায় অপূর্ব রেগে গিয়ে প্রতিবাদ করে বলে যে সে একজন ফার্স্ট ক্লাস প্যাসেঞ্জার। তখন সেই দেশি সাব-ইন্সপেক্টরটি বিদ্রুপ করে জানায় যে—অপূর্ব ফার্স্ট ক্লাস প্যাসেঞ্জার হতে পারে, কিন্তু সে তো আর সাদা চামড়ার ‘ইউরোপিয়ান’ নয়! অর্থাৎ পরাধীন ভারতবর্ষে প্রথম শ্রেণির টিকিট কাটলেও ভারতীয়দের কোনো মর্যাদা বা অধিকার ছিল না।

৩. পথের দাবী গল্পের ৫ নম্বরের রচনামূলক বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)

১. প্রশ্ন: “পোলিটিক্যাল সাসপেক্ট সব্যসাচী মল্লিককে নিমাইবাবুর সম্মুখে হাজির করা হইল।”—এরপর রেঙ্গুন পুলিশ স্টেশনে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে গিরীশ মহাপাত্র পুলিশকে বোকা বানিয়েছিলেন তা পাঠ্যাংশ অবলম্বনে লেখো। (৫ নম্বর — মাধ্যমিক পরীক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন)

উত্তর:

১. গিরীশ মহাপাত্রের আবির্ভাব ও বিচিত্র বেশভূষা: কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশে রাজবিদ্রোহী সব্যসাচী মল্লিক সন্দেহে রেঙ্গুন স্টেশনে আটক করা গিরীশ মহাপাত্রকে যখন দারোগা নিমাইবাবুর সামনে আনা হয়, তখন সে ক্রমাগত কাশছিল। তার মাথায় চেরা সিঁথি ও লেবুর তেলের উগ্র গন্ধ, গায়ে জাপানি সিল্কের রামধনু রঙের চুড়িদার পাঞ্জাবি, বুকপকেটে বাঘ-আঁকা রুমাল, পরনে কালো মখমল পাড়ের সূক্ষ্ম শাড়ি, পায়ে সবুজ ফুলমোজা ও নাল বাঁধানো পাম্প শু এবং হাতে হরিণের শিঙের হাতল দেওয়া বেতের ছড়ি দেখে অপূর্ব মুখ ফিরিয়ে হাসি গোপন করে।

২. অপূর্বর মতামত: অপূর্ব তার কাকা নিমাইবাবুর কাছে আগেই শুনেছিল যে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক বিলাত থেকে ডাক্তারি ও ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা দশ-বারোটি ভাষায় সুপণ্ডিত এক অসাধারণ পুরুষ। তাই গিরীশ মহাপাত্রের এই উদ্ভট পোশাক ও গ্রাম্য কথাবার্তা দেখে অপূর্ব জোর দিয়ে নিমাইবাবুকে বলে যে, এই লোকটি আর যেই হোক কখনোই সব্যসাচী মল্লিক হতে পারে না।

৩. তল্লাশি ও গাঁজার কলকের নাটক: এরপর গিরীশ মহাপাত্রের টিনের তোরঙ্গ ও পকেট তল্লাশি করে কোনো রাজদ্রোহমূলক কাগজ পাওয়া যায় না—মেলে কেবল এক টাকা ছয় গন্ডা পয়সা, কাঠের ফুটরুল, বিড়ি, দেশলাই এবং একটি গাঁজার কলকে! নিমাইবাবু তার ভগ্ন স্বাস্থ্যের কথা বলে গাঁজা খেতে নিষেধ করলে গিরীশ মহাপাত্র নিরীহ মুখে জানায় যে সে নিজে গাঁজা খায় না, পথে কুড়িয়ে পেয়ে পরের উপকারে লাগবে ভেবে রেখে দিয়েছে।

৪. বুদ্ধিদীপ্ত ছদ্মবেশের জয়: আসলে গিরীশ মহাপাত্র ছিলেন স্বয়ং বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক। তিনি জানতেন রেঙ্গুন স্টেশনে পুলিশ তাঁকে ধরার জন্য ওত পেতে আছে; তাই ইচ্ছাকৃতভাবেই তিনি এমন এক বোকাসোকা ও শৌখিন গাঁজাখোর মিস্ত্রির ছদ্মবেশ ধরেছিলেন যাতে পুলিশের বাঘা বাঘা অফিসাররা তাঁকে তুচ্ছ মনে করে ছেড়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত নিমাইবাবু ও তাঁর পুলিশদলকে সম্পূর্ণ বোকা বানিয়ে গিরীশ মহাপাত্র নির্বিঘ্নে থানা থেকে বেরিয়ে যান।

২. প্রশ্ন: ‘পথের দাবী’ পাঠ্যাংশ অবলম্বনে অপূর্ব চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো। অথবা, “এমন সৌভাগ্যকে অপূর্বর মন যেন গ্রাহ্যই করিল না”—উদ্ধৃতিটির আলোকে অপূর্বর দেশপ্রেমের পরিচয় দাও। (৫ নম্বর নিশ্চিত কমন)

উত্তর:

১. শিক্ষিত ও মার্জিত বাঙালি যুবক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ রচনাংশের অন্যতম প্রধান চরিত্র অপূর্ব হলেন এম.এসসি পাশ করা এক মার্জিত, সংবেদনশীল ও নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ যুবক। চাকরির সূত্রে রেঙ্গুনে বর্মা অয়েল কোম্পানির অফিসে কাজ করলেও তাঁর আচরণে সর্বদা ভদ্রতা ও সৌজন্যের পরিচয় মেলে।

২. কৃতজ্ঞতাবোধ ও মানবিকতা: আমাদের Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer বিশ্লেষণে দেখা যায়, অপূর্ব চরিত্রের একটি বড়ো গুণ হলো তার গভীর কৃতজ্ঞতাবোধ। রেঙ্গুনের বাসায় চুরি হয়ে যাওয়ার পর উপরতলার খ্রিস্টান মেয়েটি (ভারতী) যেভাবে তার বাকি জিনিসপত্র আগলে রেখেছিল এবং তাকে সেবাযত্ন করেছিল, রক্ষণশীল পরিবারের ছেলে হয়েও অপূর্ব সহকর্মী রামদাসের কাছে অকপটে সেই খ্রিস্টান মেয়েটিকে নিজের ‘পরম বন্ধু’ বলে স্বীকার করেছে।

৩. পরাধীনতার যন্ত্রণা ও আত্মমর্যাদাবোধ: রেলস্টেশনে বিনা দোষে ফিরিঙ্গি যুবকদের লাথি খাওয়া এবং সাহেব স্টেশন মাস্টারের কাছে কুকুরের মতো অপমানিত হওয়ার ঘটনা অপূর্বর হৃদয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করেছিল। নিজের দেশে পরাধীন ভারতীয়দের এই লাঞ্ছনার কথা মনে পড়লেই সে দুঃখে, লজ্জায় ও ঘৃণায় মাটির সঙ্গে মিশে যেত।

৪. অকৃত্রিম দেশপ্রেম ও বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা: অপূর্বর পিতা ও কাকা নিমাইবাবু ব্রিটিশ সরকারের অনুগত চাকুরে হলেও অপূর্ব মনেপ্রাণে ছিলেন এক খাঁটি দেশপ্রেমিক। বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের অসামান্য পাণ্ডিত্য ও আত্মত্যাগের কথা শুনে মনে মনে তিনি সব্যসাচীকে মুক্তিপথের দেবতা বলে শ্রদ্ধা করতেন। তাই কাকা নিমাইবাবু যখন সব্যসাচীকে ধরতে না পেরে হতাশ হন, তখন দেশের মুক্তিদূত সব্যসাচী ধরা না পড়ায় অপূর্বর মন আনন্দে ভরে ওঠে। এমনকি ভামো যাওয়ার পথে জাহাজের ঘাটে আবার গিরীশ মহাপাত্রকে দেখে চিনতে পারলেও অপূর্ব তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার বদলে পরম শ্রদ্ধায় তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকে—যা অপূর্বর খাঁটি স্বদেশপ্রেমেরই উজ্জ্বল প্রমাণ।

প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক 

মাধ্যমিক দশম শ্রেণি বাংলা ও সকল বিষয়ের সাজেশন এবং পিডিএফ বুক ডাউনলোড:

ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের সর্বাধিক সার্চ করা প্রশ্নোত্তর (FAQs — Class 10 Bengali Pather Dabi Question Answer)

প্রশ্ন ১: ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং পলিটিক্যাল সাসপেক্টের আসল নাম কী ছিল?

উত্তর: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল এবং পলিটিক্যাল সাসপেক্টের আসল নাম ছিল সব্যসাচী মল্লিক (ছদ্মবেশে গিরীশ মহাপাত্র)।

প্রশ্ন ২: গিরীশ মহাপাত্রের মাথায় কোন তেলের গন্ধ ছিল এবং তাঁর পকেট থেকে কী কী পাওয়া গিয়েছিল?

উত্তর: গিরীশ মহাপাত্রের মাথায় উগ্র লেবুর তেলের গন্ধ ছিল এবং তাঁর পকেট থেকে একটা টাকা ও গন্ডা ছয়েক পয়সা, লোহার কম্পাস, কাঠের ফুটরুল, বিড়ি, দেশলাই ও একটি গাঁজার কলকে পাওয়া গিয়েছিল।

প্রশ্ন ৩: নিমাইবাবু অপূর্বর কে হতেন এবং অপূর্বকে কোম্পানির কাজে কোথায় যেতে হচ্ছিল?

উত্তর: রেঙ্গুন পুলিশের দারোগা নিমাইবাবু ছিলেন অপূর্বর বাবার বন্ধু ও আত্মীয় এবং সম্পর্কে অপূর্বর কাকা (যিনি অপূর্বর চাকরি করে দিয়েছিলেন)। আর অপূর্বকে কোম্পানির কাজে ব্রহ্মদেশের ‘ভামো’ শহরে যেতে হচ্ছিল।

পারমিতা ভট্টাচার্য (Paromita Bhattacharya) ✓
👨🏫 বাংলা ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষিকা • WBBSE & WBCHSE ⭐ ১৩+ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা
পারমিতা ভট্টাচার্য (Paromita Bhattacharya)
🎓 M.A. (Bengali), B.Ed., UGC-NET & WBSET Qualified
পারমিতা ভট্টাচার্য পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি (মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সেমিস্টার) বাংলা সাহিত্য, ব্যাকরণ, প্রবন্ধ রচনা এবং বঙ্গানুবাদ বিষয়ের একজন অভিজ্ঞ শিক্ষিকা। তাঁর লেখা পয়েন্ট-ভিত্তিক নোটস পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার জন্য আদর্শ।

💬 কোনো প্রশ্ন বা বিশেষ অধ্যায়ের PDF লাগবে? নিচে কমেন্ট করো (Ask a Doubt)

এই অধ্যায় থেকে কোনো প্রশ্ন থাকলে বা অন্য কোনো বিষয়ের সাজেশন ও PDF নোটস লাগলে নিচে বাংলা বা ইংরেজিতে কমেন্ট করে জানাও, আমাদের শিক্ষক টিম দ্রুত উত্তর দেবে!