WBBSE & WBCHSE পর্ষদ (Class 5–12): সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা নোটস, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর PDF
WBBSE NOTE Logo
WBBSE NOTE
WBBSE & WBCHSE Portal • Class 5–12
মেনু
Logo WBBSE NOTE
Class 5 to 12 • WBBSE & WBCHSE Menu
✕

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Environmental Studies (ENVS) Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (পরিবেশ দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ আইন)

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)-এর নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশ শ্রেণির (Class 12 / HS) চূড়ান্ত লিখিত বোর্ড পরীক্ষা হলো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত ৪র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা বা ENVS পরীক্ষা (Semester 4 Environmental Studies — ৪০ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ও রচনামূলক বা SAQ ও LAQ পরীক্ষা)। সংসদের নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী আমাদের এই উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা সাজেশন (দ্বাদশ শ্রেণি চতুর্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা সম্পূর্ণ সাজেশন ও WBCHSE Class 12 Environmental Studies Semester 4 Suggestion PDF) আর্টিকেলে আমরা ৪র্থ সেমিস্টারের দুটি প্রধান অধ্যায়—অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ (২০ নম্বর) এবং অধ্যায় ২: পরিবেশগত আইন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (২০ নম্বর)—থেকে বাছাই করা সংক্ষিপ্ত (২ নম্বর) ও রচনাধর্মী বড়ো প্রশ্নের (৬ নম্বর) সম্পূর্ণ আদর্শ উত্তর পরিষ্কার প্যারাগ্রাফে সাজিয়ে দিয়েছি।

📑 এক নজরে এই নোটের সূচিপত্র (Table of Contents)
  1. উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা নতুন সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (WBCHSE Class 12 Semester 4 ENVS Syllabus & Blueprint)
  2. ১. অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ — ২ নম্বরের মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
  3. ২. অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ — ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ)
  4. প্রশ্ন ১: বায়ুদূষণের প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণগুলি কী কী? বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত যান্ত্রিক পদ্ধতিগুলি এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming)-এর প্রভাব ও প্রতিকার আলোচনা করো। (৬ নম্বর)
  5. প্রশ্ন ২: জলদূষণের প্রধান কারণ ও ক্ষতিকর প্রভাবগুলি লেখো এবং ‘গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান’ (GAP) ও ‘নমামি গঙ্গে’ কর্মসূচির উদ্দেশ্য আলোচনা করো। (৬ নম্বর)
  6. ৩. অধ্যায় ২: পরিবেশগত আইন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা — সংক্ষিপ্ত (২ নম্বর) ও বড়ো প্রশ্ন উত্তর (৬ নম্বর)
  7. প্রশ্ন ৩: বর্জ্য পদার্থ (Waste) কাকে বলে? বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R নীতি’ (Reduce, Reuse, Recycle, Recover)-র গুরুত্ব এবং কঠিন ও জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য (Biomedical Waste) ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিগুলি আলোচনা করো। (৬ নম্বর)
  8. প্রশ্ন ৪: ভারতের প্রধান পরিবেশগত আইনসমূহ—(ক) বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন (১৯৭২), (খ) বন সংরক্ষণ আইন (১৯৮০), (গ) বায়ুদূষণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন (১৯৮১) এবং (ঘ) পরিবেশ সুরক্ষা আইন (১৯৮৬)-এর মূল উদ্দেশ্য ও বিধানগুলি লেখো। (৬ নম্বর)
  9. প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক (Internal Linking Box)
  10. উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

চতুর্থ সেমিস্টারের পরিবেশ বিদ্যার সম্পূর্ণ নোটবুক পিডিএফ সংগ্রহ করতে আমাদের বুক স্টোর দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের পরিবেশ বিদ্যা নোট বই PDF এবং পরিবেশ বিদ্যা বুক স্টোর দেখে নিতে পারো।

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা নতুন সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (WBCHSE Class 12 Semester 4 ENVS Syllabus & Blueprint)

দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যায় (পূর্ণমান: ৪০ লিখিত + ১০ প্রজেক্ট/মৌখিক, সময়: ২ ঘণ্টা) দুটি অধ্যায় থেকে মোট ৪০ নম্বরের প্রশ্ন (২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন) আসবে:

অধ্যায় (Syllabus Unit) নির্ধারিত পাঠ্য বিষয়বস্তু (Prescribed Topics — Class 12 ENVS Semester 4) প্রশ্নের ধরন (SAQ & Descriptive LAQ) নির্ধারিত নম্বর
অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ (Environmental Pollution & Control) • বায়ুদূষণ (প্রাথমিক ও গৌণ দূষক, RSPM, ধোঁয়াশা, ফ্লাই অ্যাশ, অম্লবৃষ্টি, ওজোন গহ্বর, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও CDM) ; • জলদূষণ (BOD ও COD, ইউট্রোফিকেশন, আর্সেনিক দূষণ, গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান ও নমামি গঙ্গে) ; • মৃত্তিকা দূষণ, শব্দদূষণ (ডেসিবেল) ও তেজস্ক্রিয় দূষণ (চেরনোবিল ও ভোপাল গ্যাস বিপর্যয়) ২ নম্বরের অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ) এবং ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন (LAQ) ২০ নম্বর
অধ্যায় ২: পরিবেশগত আইন ও ব্যবস্থাপনা (Environmental Legislation & Management) • পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (কঠিন, তরল, ই-বর্জ্য, বায়োমেডিকেল বর্জ্য, 3R/4R নীতি, কম্পোস্টিং ও ভার্মি-কম্পোস্টিং) ; • পরিবেশ আইনসমূহ (বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ১৯৭২, বন সংরক্ষণ আইন ১৯৮০, বায়ুদূষণ আইন ১৯৮১, পরিবেশ সুরক্ষা আইন ১৯৮৬, মোটর ভেহিকেল আইন ১৯৮৮ ও জীববৈচিত্র্য আইন ২০০২) ; • বসুন্ধরা সম্মেলন (১৯৯২), গ্রিন বেঞ্চ ও Polluter Pays নীতি ২ নম্বরের অতি-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ) এবং ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন (LAQ) ২০ নম্বর
সর্বমোট লিখিত নম্বর (Total Semester 4) বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা (Descriptive SAQ + LAQ) পূর্ণমান: ৪০ নম্বর ৪০ নম্বর

১. অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ — ২ নম্বরের মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)

১. প্রশ্ন: প্রাথমিক দূষক (Primary Pollutant) ও গৌণ দূষক (Secondary Pollutant) কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যেসব দূষক পদার্থ কলকারখানা বা যানবাহনের উৎস থেকে সরাসরি বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়ে বায়ুকে দূষিত করে, তাদের ‘প্রাথমিক দূষক’ বলে (যেমন: কার্বন মনোক্সাইড CO, সালফার ডাইঅক্সাইড SO2, নাইট্রিক অক্সাইড NO এবং ফ্লাই অ্যাশ)। আর প্রাথমিক দূষকগুলি বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্প বা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পরস্পর রাসায়নিক বিক্রিয়া করে যে নতুন ও অধিক ক্ষতিকর দূষক সৃষ্টি করে, তাদের ‘গৌণ দূষক’ বলে (যেমন: প্যান — PAN বা পারক্সিঅ্যাসিটাইল নাইট্রেট, ওজোন O3, সালফিউরিক অ্যাসিড ও আলোক-রাসায়নিক ধোঁয়াশা)।

২. প্রশ্ন: ‘RSPM’ এবং ‘ফ্লাই অ্যাশ’ (Fly Ash) কী? এদের ক্ষতিকর প্রভাব লেখো।

উত্তর: RSPM (Respirable Suspended Particulate Matter) হলো বাতাসে ভাসমান ১০ মাইক্রন (PM10) বা ২.৫ মাইক্রনের (PM2.5) চেয়েও ক্ষুদ্র ধূলিকণা, যা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে সরাসরি মানুষের ফুসফুসে প্রবেশ করে হাঁপানি, ব্রংকাইটিস ও সিলিকোসিস রোগ সৃষ্টি করে। আর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লা দহনের ফলে উৎপন্ন অতি সূক্ষ্ম ছাইকণাকে ‘ফ্লাই অ্যাশ’ বলে; বর্তমানে এটি ইট ও সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

৩. প্রশ্ন: ‘অম্লবৃষ্টি’ (Acid Rain) ও ‘পাথরের ক্যান্সার’ (Stone Cancer) বলতে কী বোঝো?

উত্তর: কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2) এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইড (NOx) বায়ুমণ্ডলের জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) ও নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) তৈরি করে বৃষ্টির জলের সাথে ঝরে পড়লে (যখন বৃষ্টির জলের pH মান ৫.৬-এর কম হয়), তাকে ‘অম্লবৃষ্টি’ বলে (রবার্ট অ্যাঙ্গাস স্মিথ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন)। অম্লবৃষ্টির প্রভাবে তাজমহলের মতো সাদা মার্বেল পাথরের স্থাপত্য ক্ষয়প্রাপ্ত ও হলুদ হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে ‘পাথরের ক্যান্সার’ (Stone Cancer) বলে।

৪. প্রশ্ন: ‘BOD’ এবং ‘COD’-এর পুরো নাম কী এবং এদের মূল পার্থক্য কী?

উত্তর: BOD-এর পুরো নাম ‘Biological Oxygen Demand’ (জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা) এবং COD-এর পুরো নাম ‘Chemical Oxygen Demand’ (রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা)। ১ লিটার জলে উপস্থিত কেবল জৈব দূষক পদার্থগুলিকে অণুজীব দ্বারা বিয়োজিত করতে যে পরিমাণ দ্রবীভূত অক্সিজেনের (DO) প্রয়োজন হয় তাকে BOD বলে; কিন্তু জলে উপস্থিত জৈব ও অজৈব উভয় প্রকার দূষককেই রাসায়নিকভাবে জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেন লাগে তাকে COD বলে। তাই কোনো দূষিত জলের COD-এর মান সর্বদা BOD-এর চেয়ে বেশি হয়।

৫. প্রশ্ন: ‘ইউট্রোফিকেশন’ (Eutrophication / সুপুষ্টিকরণ) এবং ‘অ্যালগাল ব্লুম’ কাকে বলে?

উত্তর: কৃষিজমি থেকে ধুয়ে আসা ফসফেট ও নাইট্রেট সার এবং ডিটারজেন্ট মিশ্রিত জল পুকুর বা হ্রদে মিশলে জলে পুষ্টি মৌলের পরিমাণ অত্যাধিক বৃদ্ধি পায়—একে ‘ইউট্রোফিকেশন’ বলে। এর ফলে জলাশয়ে শৈবাল ও কচুরিপানার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে (‘অ্যালগাল ব্লুম’), যা জলের দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) কমিয়ে দিয়ে মাছ ও জলজ প্রাণীর মৃত্যু ঘটায়।

৬. প্রশ্ন: ‘ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা’ ও ‘চেরনোবিল বিপর্যয়’ কবে এবং কোন গ্যাস বা পদার্থের কারণে ঘটেছিল?

উত্তর: ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২–৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ইউনিয়ন কার্বাইড নামক কীটনাশক কারখানা থেকে মারাত্মক বিষাক্ত ‘মিথাইল আইসোসায়ানেট’ (MIC) গ্যাস লিক হয়ে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। আর ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দের ২৬ এপ্রিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমান ইউক্রেনের) চেরনোবিল পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পারমাণবিক চুল্লির বিস্ফোরণে ভয়াবহ তেজস্ক্রিয় দূষণ ঘটে।

৭. প্রশ্ন: ‘ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম’ (CDM) কী?

উত্তর: ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর ১২ নং ধারা অনুযায়ী গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা হলো CDM (Clean Development Mechanism)। এর মাধ্যমে শিল্পোন্নত দেশগুলি উন্নয়নশীল দেশে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগ করে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস করে এবং তার বিনিময়ে ‘কার্বন ক্রেডিট’ (Carbon Credit / CER) অর্জন করে।

২. অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ — ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ)

প্রশ্ন ১: বায়ুদূষণের প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণগুলি কী কী? বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত যান্ত্রিক পদ্ধতিগুলি এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming)-এর প্রভাব ও প্রতিকার আলোচনা করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. বায়ুদূষণের কারণ: বায়ুদূষণের প্রাকৃতিক কারণগুলি হলো—আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত (সালফার ডাইঅক্সাইড ও ছাই), দাবানল, মরুভূমির ধূলিঝড় এবং উদ্ভিদের পরাগরেণু। আর মনুষ্যসৃষ্ট প্রধান কারণগুলি হলো—তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কলকারখানায় জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা ও খনিজ তেল) দহন, যানবাহনের ধোঁয়া (কার্বন মনোক্সাইড, সীসা ও নাইট্রোজেনের অক্সাইড), কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক কীটনাশক ছড়ানো, রেফ্রিজারেটর ও এসি থেকে নির্গত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) এবং নির্বিচারে বৃক্ষচ্ছেদন।

২. বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের যান্ত্রিক পদ্ধতিসমূহ: কলকারখানার চিমনি থেকে নির্গত ধোঁয়ার ভাসমান ধূলিকণা ও বিষাক্ত গ্যাস অপসারণের জন্য চারটি প্রধান যন্ত্র ব্যবহার করা হয়—প্রথমত, ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর (Electrostatic Precipitator – ESP): বৈদ্যুতিক আধানের সাহায্যে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ধোঁয়া থেকে ৯৯% সূক্ষ্ম ছাইকণা (Fly Ash) আলাদা করে। দ্বিতীয়ত, স্ক্রাবার (Scrubber): জলের ঝাপটা বা ক্ষারীয় দ্রবণের মধ্য দিয়ে ধোঁয়া পাঠিয়ে সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2) ও অ্যামোনিয়া গ্যাস শোষণ করা হয়। তৃতীয়ত, সাইক্লোন সেপারেটর (Cyclone Separator): ঘূর্ণন বা অপকেন্দ্র বলের সাহায্যে ভারী ধূলিকণা আলাদা করা হয়। চতুর্থত, ব্যাগ ফিল্টার (Bag Filter) এবং যানবাহনে ‘ক্যাটালিটিক কনভার্টার’ ব্যবহার করা।

৩. বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাস, প্রভাব ও প্রতিকার: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2 — প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস, প্রায় ৬০% দায়ী), মিথেন (CH4), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) ও জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় উষ্ণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়াকে ‘বিশ্ব উষ্ণায়ন’ বলে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের ও হিমালয়ের হিমবাহ গলে সমুদ্রের জলতল বৃদ্ধি পাচ্ছে, উপকূলীয় অঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, এল নিনো ও সুপার সাইক্লোনের প্রকোপ বাড়ছে এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। প্রতিকার: কয়লা ও পেট্রোলিয়ামের ব্যবহার কমিয়ে সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করা।

প্রশ্ন ২: জলদূষণের প্রধান কারণ ও ক্ষতিকর প্রভাবগুলি লেখো এবং ‘গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান’ (GAP) ও ‘নমামি গঙ্গে’ কর্মসূচির উদ্দেশ্য আলোচনা করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. জলদূষণের কারণ ও মানবস্বাস্থ্যে প্রভাব: পৌরসভার অপরিশোধিত পয়ঃপ্রণালীর জল, চর্ম ও কাগজ শিল্পের রাসায়নিক বর্জ্য, কৃষিজমির রাসায়নিক সার ও কীটনাশক এবং সামুদ্রিক তৈলবাহী জাহাজের তেল নিঃসরণ জলদূষণের প্রধান কারণ। দূষিত জল পান করলে কলেরা, টাইফয়েড, আমাশয় ও হেপাটাইটিস রোগ হয়। এ ছাড়া পারদ দূষণে ‘মিনামাটা’ (Minamata) রোগ, ক্যাডমিয়াম দূষণে ‘ইটাই-ইটাই’ (Itai-Itai) রোগ, ফ্লুরাইড দূষণে ‘ফ্লুরোসিস’ এবং আর্সেনিক দূষণে হাত-পায়ের চামড়ায় ‘ব্ল্যাকফুট ডিজিজ’ (Blackfoot Disease) হয়।

২. গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান (GAP) ও ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্প: ভারতের প্রধান নদী গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধি ১৯৮৫–৮৬ খ্রিস্টাব্দে ‘গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান’ (GAP — ১ম পর্যায় ও ১৯৯৩ সালে ২য় পর্যায়) চালু করেন। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার একে আরও আধুনিক ও সমন্বিত করে ‘নমামি গঙ্গে’ (Namami Gange) প্রকল্প চালু করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—গঙ্গার তীরবর্তী শহরগুলিতে আধুনিক নর্দমার জল শোধনাগার (Sewage Treatment Plants – STP) নির্মাণ, শিল্পকারখানার বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা নিষিদ্ধ করা, নদীর তীরে বনায়ন, ঘাট সংস্কার এবং গাঙ্গেয় ডলফিন ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।

৩. অধ্যায় ২: পরিবেশগত আইন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা — সংক্ষিপ্ত (২ নম্বর) ও বড়ো প্রশ্ন উত্তর (৬ নম্বর)

প্রশ্ন ৩: বর্জ্য পদার্থ (Waste) কাকে বলে? বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R নীতি’ (Reduce, Reuse, Recycle, Recover)-র গুরুত্ব এবং কঠিন ও জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য (Biomedical Waste) ব্যবস্থাপনার পদ্ধতিগুলি আলোচনা করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. বর্জ্যের সংজ্ঞা এবং ই-বর্জ্য ও বায়োমেডিকেল বর্জ্য: মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, কৃষি ও শিল্পকর্মের ফলে উৎপন্ন যে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় বা বাতিল পদার্থ পরিবেশের ক্ষতি করে, তাদের ‘বর্জ্য পদার্থ’ বলে। বাতিল কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে ‘ই-বর্জ্য’ (E-Waste) বলে; এবং হাসপাতাল, নার্সিংহোম ও প্যাথলজি ল্যাবরেটরি থেকে নির্গত ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সূচ, গজ, ব্যান্ডেজ ও মানব অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে ‘জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য’ (Biomedical Waste — সংক্রামক বিপজ্জনক বর্জ্য) বলে।

২. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘4R নীতি’-র গুরুত্ব: পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চারটি স্তম্ভ বা ‘4R’ হলো—প্রথমত, Reduce (বর্জ্যের পরিমাণ হ্রাস): প্লাস্টিক ও একবার ব্যবহারযোগ্য (Single-use) জিনিসের ব্যবহার কমানো। দ্বিতীয়ত, Reuse (পুনর্ব্যবহার): কাচের শিশি, বোতল বা কাপড়ের ব্যাগ ফেলে না দিয়ে বারবার ব্যবহার করা। তৃতীয়ত, Recycle (পুনর্নবীকরণ): পুরোনো কাগজ, প্লাস্টিক, কাচ ও ধাতব স্ক্র্যাপ গলিয়ে কারখানায় নতুন সামগ্রী তৈরি করা। চতুর্থত, Recover (পুনরুদ্ধার বা শক্তি উৎপাদন): যে বর্জ্য পুনর্নবীকরণ করা যায় না, তা থেকে জৈব গ্যাস বা বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা (Waste to Energy)।

৩. কঠিন ও জৈব-চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি: প্রথমত, পৃথকীকরণ (Segregation at Source): বাড়িতে ও পৌরসভায় পচনশীল জৈব বর্জ্য সবুজ ডাস্টবিনে এবং অপচনশীল শুষ্ক বর্জ্য নীল ডাস্টবিনে আলাদা করে ফেলা। দ্বিতীয়ত, কম্পোস্টিং ও ভার্মি-কম্পোস্টিং (Composting & Vermicomposting): পচনশীল জৈব বর্জ্যকে ব্যাকটেরিয়া বা কেঁচোর সাহায্যে পচিয়ে জৈব সারে রূপান্তরিত করা। তৃতীয়ত, ভরাটকরণ (Sanitary Landfilling): শহরের বাইরে অবনমিত জমিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বর্জ্য চাপা দেওয়া। চতুর্থত, ভস্মীকরণ (Incineration): হাসপাতালের সংক্রামক জৈব-চিকিৎসা বর্জ্যকে রঙিন ব্যাগে (হলুদ, লাল, নীল ও সাদা) পৃথক করে উচ্চ তাপমাত্রার চুল্লিতে (ইনসিনারেটর) ও অটোক্লেভ যন্ত্রে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে জীবাণুমুক্ত করা।

প্রশ্ন ৪: ভারতের প্রধান পরিবেশগত আইনসমূহ—(ক) বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন (১৯৭২), (খ) বন সংরক্ষণ আইন (১৯৮০), (গ) বায়ুদূষণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন (১৯৮১) এবং (ঘ) পরিবেশ সুরক্ষা আইন (১৯৮৬)-এর মূল উদ্দেশ্য ও বিধানগুলি লেখো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন (Wildlife Protection Act, 1972): ১৯৭২ সালে প্রণীত এই আইনের মাধ্যমে সারা ভারতে বন্যপ্রাণী শিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়, বিপন্ন প্রাণীদের সুরক্ষার জন্য ৬টি তফসিল (Schedules) তৈরি করা হয়, জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য স্থাপনের আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং বন্যপ্রাণীর চামড়া, শিং ও দাঁতের অবৈধ ব্যবসা কঠোরভাবে দণ্ডনীয় করা হয়।

২. বন সংরক্ষণ আইন (Forest Conservation Act, 1980): নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস রোধ করার জন্য ১৯৮০ সালে এই আইন প্রণীত হয় (১৯২৭ সালের ভারতীয় বন আইনের পরিপূরক হিসেবে)। এর মূল বিধান হলো—কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংরক্ষিত বনভূমিকে অ-বনজ কাজে (যেমন: খনি, শিল্প বা বাঁধ নির্মাণ) ব্যবহার করা যাবে না এবং বনভূমি কাটা হলে সমপরিমাণ জমিতে বাধ্যতামূলকভাবে ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন (Compensatory Afforestation) করতে হবে।

৩. বায়ুদূষণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ আইন (Air Prevention and Control of Pollution Act, 1981): ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুসারে ভারতে বায়ুদূষণ রোধে ১৯৮১ সালে এই আইন চালু হয় (১৯৮৭ সালে এতে শব্দদূষণকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়)। এই আইনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে (CPCB ও SPCB) বায়ুর গুণমান নির্ধারণ এবং দূষণকারী কারখানা বন্ধ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

৪. পরিবেশ সুরক্ষা আইন (Environment Protection Act, 1986 — ‘ছাতা আইন’ বা Umbrella Legislation): ১৯৮৪ সালের ভোপাল গ্যাস বিপর্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৬ সালের ১৯ নভেম্বর সংবিধানের ২৫৩ নং ধারা অনুযায়ী এই সামগ্রিক পরিবেশ আইন প্রণীত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—জল, বায়ু ও মাটির সামগ্রিক গুণমান রক্ষা করা, বিপজ্জনক রাসায়নিক ও বর্জ্য পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, পরিবেশের ক্ষতি করে এমন যেকোনো শিল্পকারখানা অবিলম্বে বন্ধ করা এবং ‘দূষণকারীর ক্ষতিপূরণ প্রদান নীতি’ (Polluter Pays Principle) কার্যকর করা।

৫. গ্রিন বেঞ্চ ও জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (NGT): পরিবেশ সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাইকোর্টে ভারতের প্রথম ‘গ্রিন বেঞ্চ’ (Green Bench) গঠিত হয় এবং ২০১০ সালে ‘জাতীয় গ্রিন ট্রাইব্যুনাল’ (National Green Tribunal – NGT) প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক (Internal Linking Box)

উচ্চমাধ্যমিক ৩য় ও ৪র্থ সেমিস্টার সমস্ত বিষয়ের সাজেশন ও পিডিএফ বুক ডাউনলোড:

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রশ্ন ১: উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যা (ENVS) পরীক্ষায় কোন কোন অধ্যায় থেকে কত নম্বরের প্রশ্ন আসে?

উত্তর: দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যার ৪০ নম্বরের মধ্যে অধ্যায় ১: পরিবেশ দূষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ থেকে ২০ নম্বর এবং অধ্যায় ২: পরিবেশগত আইন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে ২০ নম্বর (২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও ৬ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন) আসে।

প্রশ্ন ২: পরিবেশ দূষণ অধ্যায় থেকে ২ নম্বরের প্রশ্নের জন্য কোন টপিকগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: প্রাথমিক ও গৌণ দূষক, RSPM ও ফ্লাই অ্যাশ, অম্লবৃষ্টি, BOD ও COD-এর পার্থক্য, ইউট্রোফিকেশন, ব্ল্যাকফুট ডিজিজ, ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (MIC) এবং ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM)।

প্রশ্ন ৩: বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অংশ থেকে কোন ৬ নম্বরের প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি (কম্পোস্টিং, ভার্মি-কম্পোস্টিং, ল্যান্ডফিলিং ও ইনসিনারেশন) এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় 4R নীতি (Reduce, Reuse, Recycle, Recover)-র গুরুত্ব।

প্রশ্ন ৪: পরিবেশ আইন অংশ থেকে কোন আইনগুলির সাল ও উদ্দেশ্য অবশ্যই মনে রাখতে হবে?

উত্তর: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন (১৯৭২), জলদূষণ আইন (১৯৭৪), বন সংরক্ষণ আইন (১৯৮০), বায়ুদূষণ আইন (১৯৮১), পরিবেশ সুরক্ষা আইন (১৯৮৬) এবং জীববৈচিত্র্য আইন (২০০২)।

প্রশ্ন ৫: উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেমিস্টার পরিবেশ বিদ্যার সম্পূর্ণ উত্তরসহ পিডিএফ বই কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: আমাদের বুক স্টোর books.wbbsenote.in/product/wbchse-class-12-semester-4-environment-envs-notebook-and-sugession-pdf/ থেকে চতুর্থ সেমিস্টারের সম্পূর্ণ পরিবেশ বিদ্যা নোটবুক পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারবে।

সপ্তর্ষি কুণ্ডু (Saptarshi Kundu) ✓
👨🏫 পরিবেশ ও বিজ্ঞান শিক্ষক (ENVS & Paribesh) • Class 5–12 ⭐ ৯+ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা
সপ্তর্ষি কুণ্ডু (Saptarshi Kundu)
🎓 M.Sc. (Environmental Science), B.Ed., UGC-NET
সপ্তর্ষি কুণ্ডু পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান (Paribesh O Bigyan) এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পরিবেশ বিদ্যা (ENVS) বিষয়ের শিক্ষক। অধ্যায়ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ও প্রজেক্ট গাইডে তিনি শিক্ষার্থীদের সাহায্য করেন।

💬 কোনো প্রশ্ন বা বিশেষ অধ্যায়ের PDF লাগবে? নিচে কমেন্ট করো (Ask a Doubt)

এই অধ্যায় থেকে কোনো প্রশ্ন থাকলে বা অন্য কোনো বিষয়ের সাজেশন ও PDF নোটস লাগলে নিচে বাংলা বা ইংরেজিতে কমেন্ট করে জানাও, আমাদের শিক্ষক টিম দ্রুত উত্তর দেবে!