উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি (ইকোনমিক্স) সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Economics Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (অর্থ ও ব্যাংকিং, সরকারি বাজেট, শিল্প ও সেবা খাত এবং মানব উন্নয়ন ৪০ নম্বর)
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)-এর নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশ শ্রেণির (Class 12 / HS) চূড়ান্ত লিখিত বোর্ড পরীক্ষা হলো ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত ৪র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি বা ইকোনমিক্স পরীক্ষা (Semester 4 Economics — ৪০ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ও রচনামূলক বা SAQ ও LAQ পরীক্ষা)। সংসদের নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী আমাদের এই উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি সাজেশন (দ্বাদশ শ্রেণি চতুর্থ সেমিস্টার ইকোনমিক্স সম্পূর্ণ সাজেশন ও WBCHSE Class 12 Economics Semester 4 Suggestion PDF) আর্টিকেলে আমরা ৪র্থ সেমিস্টারের ৫টি ইউনিট—Unit 1: অর্থ, ব্যাংকিং ও মুদ্রাস্ফীতি, Unit 2: সরকারি বাজেট ও রাজস্ব নীতি, Unit 3: ভারতের শিল্প খাত (মহলানবীশ মডেল ও ১৯৯১-এর শিল্পমুক্তিকরণ), Unit 4: ভারতের সেবা খাত (IT ও আউটসোর্সিং) এবং Unit 5: অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, দারিদ্র্য, লরেঞ্জ রেখা ও মানব উন্নয়ন সূচক (HDI)—থেকে বাছাই করা ২, ৩ ও ৫/৮ নম্বরের প্রশ্নের সম্পূর্ণ আদর্শ উত্তর পরিষ্কার প্যারাগ্রাফে সাজিয়ে দিয়েছি।
- উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি (ইকোনমিক্স) সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Economics Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (অর্থ ও ব্যাংকিং, সরকারি বাজেট, শিল্প ও সেবা খাত এবং মানব উন্নয়ন ৪০ নম্বর)
- উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি নতুন সিলেবাস ও ইউনিট তালিকা (WBCHSE Class 12 Semester 4 Economics Syllabus & Blueprint)
- ১. বিভাগ – ক: ২ ও ৩ নম্বরের মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ — নিশ্চিত কমন)
- ২. বিভাগ – খ: ৫/৮ নম্বরের রচনামূলক বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ — নিশ্চিত কমন)
- প্রশ্ন ১: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) ঋণ নিয়ন্ত্রণের পরিমাণগত ও গুণগত পদ্ধতিগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক কীভাবে ‘ঋণ বা আমানত সৃষ্টি’ (Credit Creation) করে তা ব্যাখ্যা করো। (৫/৮ নম্বর)
- প্রশ্ন ২: ভারতের শিল্পোন্নয়নে ‘মহলানবীশ মডেল’ (২য় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা) এবং ‘১৯৯১ সালের নতুন শিল্পনীতি ও উদারীকরণ’ (Industrial Liberalization)-এর বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব আলোচনা করো। (৫/৮ নম্বর)
- প্রশ্ন ৩: ‘মানব উন্নয়ন সূচক’ (HDI – Human Development Index) কী? এর তিনটি মূল উপাদান ব্যাখ্যা করো এবং ভারতের দারিদ্র্য সমস্যার কারণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সরকারি কর্মসূচিগুলি আলোচনা করো। (৫/৮ নম্বর)
- প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক
- উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
চতুর্থ সেমিস্টারের সমস্ত বিষয়ের নোটবুক পিডিএফ সংগ্রহ করতে আমাদের বুক স্টোর দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের সমস্ত নোট বই এবং WBCHSE Semester PDF Store দেখে নিতে পারো।
উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি নতুন সিলেবাস ও ইউনিট তালিকা (WBCHSE Class 12 Semester 4 Economics Syllabus & Blueprint)
দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার অর্থনীতিতে (পূর্ণমান: ৪০ লিখিত + ১০ প্রজেক্ট, সময়: ২ ঘণ্টা) মোট ৫টি ইউনিট থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ — ২ ও ৩ নম্বর) এবং রচনাধর্মী বড়ো প্রশ্ন (LAQ — ৫/৮ নম্বর) আসবে:
| ইউনিট ক্রম (Unit) | নির্ধারিত পাঠ্য অধ্যায়সমূহ (Prescribed Units — Class 12 Economics Semester 4) | গুরুত্বপূর্ণ টপিক (Must-Read Topics for Exam) | প্রশ্নের ধরন |
| Unit – 1 | অর্থ, ব্যাংকিং ও মুদ্রাস্ফীতি (Money, Banking and Inflation) | • অর্থের কার্যাবলি ও অর্থের জোগান (M1–M4) ও অর্থ গুণক ; • বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ বা আমানত সৃষ্টি প্রক্রিয়া ; • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (ব্যাংক রেট, রেপো রেট, OMO, CRR, SLR) ; • চাহিদা-বৃদ্ধিজনিত ও ব্যয়-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি এবং স্ট্যাগফ্লেশন |
২ নম্বর, ৩ নম্বর ও বড়ো প্রশ্ন |
| Unit – 2 | সরকারি বাজেট ও রাজস্ব নীতি (Government Budget and Fiscal Policy) | • প্রত্যক্ষ কর ও পরোক্ষ করের পার্থক্য এবং GST ; • প্রগতিশীল ও সমানুপাতিক কর ; • রাজস্ব ঘাটতি, রাজকোষীয় ঘাটতি (Fiscal Deficit) ও প্রাথমিক ঘাটতি এবং বাজেট গুণক | ২ নম্বর, ৩ নম্বর ও বড়ো প্রশ্ন |
| Unit – 3 | ভারতের অর্থনৈতিক সমস্যা: শিল্প খাত (Industrial Sector in India) | • ২য় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ মডেল ; • ১৯৯১ সালের নতুন শিল্পনীতি ও শিল্পমুক্তিকরণ (Liberalization) ; • ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের (MSME) গুরুত্ব ও সমস্যা | ২ নম্বর, ৩ নম্বর ও বড়ো প্রশ্ন |
| Unit – 4 | ভারতের অর্থনৈতিক সমস্যা: সেবা খাত (Service Sector in India) | • ভারতের সেবা খাতের দ্রুত বৃদ্ধির কারণ ; • তথ্যপ্রযুক্তি খাত (IT Sector), ব্যাংকিং ও বহির্উৎসায়ণ (Outsourcing / BPO)-এর ভূমিকা | ২ নম্বর, ৩ নম্বর ও বড়ো প্রশ্ন |
| Unit – 5 | অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি ও মানব উন্নয়ন (Inclusive Growth & Human Development) | • অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, দারিদ্র্য ফাঁদ ও লরেঞ্জ রেখা (Lorenz Curve) ; • মানব উন্নয়ন সূচক (HDI)-এর ৩টি উপাদান ও ভারতে এর অবস্থান ; • অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশগত সমস্যা | ২ নম্বর, ৩ নম্বর ও বড়ো প্রশ্ন |
১. বিভাগ – ক: ২ ও ৩ নম্বরের মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ — নিশ্চিত কমন)
১. প্রশ্ন: ‘ব্যাংক রেট’ (Bank Rate), ‘রেপো রেট’ (Repo Rate), ‘CRR’ এবং ‘SLR’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (RBI) যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয় তাকে ‘ব্যাংক রেট’ বলে এবং সরকারি ঋণপত্র বন্ধক রেখে যে সুদের হারে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেয় তাকে ‘রেপো রেট’ বলে (আর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলি তাদের উদ্বৃত্ত অর্থ RBI-এর কাছে জমা রেখে যে সুদ পায় তাকে ‘রিভার্স রেপো রেট’ বলে)। অন্যদিকে প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে তার মোট আমানতের যে নির্দিষ্ট ন্যূনতম অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) কাছে নগদে জমা রাখতে হয় তাকে ‘নগদ জমার অনুপাত’ (Cash Reserve Ratio – CRR) বলে; এবং মোট আমানতের যে নির্দিষ্ট অংশ ব্যাংককে নিজের ভল্টে নগদ অর্থ, সোনা বা সরকারি ঋণপত্র আকারে জমা রাখতে হয় তাকে ‘বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত’ (Statutory Liquidity Ratio – SLR) বলে। মুদ্রাস্ফীতির সময় RBI এই চারটি হারই বাড়িয়ে দেয়।
২. প্রশ্ন: ‘চাহিদা-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি’ (Demand-Pull Inflation) ও ‘ব্যয়-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি’ (Cost-Push Inflation)-র পার্থক্য কী এবং ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ (Stagflation) কাকে বলে?
উত্তর: যখন অর্থনীতিতে পূর্ণ কর্মসংস্থান স্তরে সামগ্রিক জোগানের তুলনায় সামগ্রিক চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে (যেমন: সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থের জোগান বৃদ্ধি বা জনসংখ্যা বৃদ্ধি) সাধারণ দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে ‘চাহিদা-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি’ বলে। পক্ষান্তরে যখন উৎপাদনের উপাদানের ব্যয় বৃদ্ধির ফলে (যেমন: শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কাঁচামাল বা পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধি কিংবা পরোক্ষ কর বৃদ্ধি) সামগ্রিক জোগান হ্রাস পেয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে ‘ব্যয়-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি’ বলে। আর যখন কোনো অর্থনীতিতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) সাথে সাথে অর্থনৈতিক মন্দা ও উচ্চ বেকারত্ব (Stagnation) একত্রে বিরাজ করে, তখন সেই পরিস্থিতিকে ‘স্ট্যাগফ্লেশন’ বা বদ্ধস্ফীতি বলে।
৩. প্রশ্ন: ‘প্রত্যক্ষ কর’ (Direct Tax) ও ‘পরোক্ষ কর’ (Indirect Tax)-এর মূল পার্থক্য কী এবং ‘GST’ কেন চালু করা হয়েছে?
উত্তর: যে করের ‘ঘাত’ (Impact — প্রাথমিক দায়) এবং ‘আপতন’ (Incidence — চূড়ান্ত আর্থিক বোঝা) একই ব্যক্তির ওপর পড়ে, অর্থাৎ করদাতা করের বোঝা অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দিতে পারেন না, তাকে ‘প্রত্যক্ষ কর’ বলে (যেমন: আয়কর বা Income Tax এবং কর্পোরেট কর)। পক্ষান্তরে যে করের প্রাথমিক ঘাত উৎপাদক বা বিক্রেতার ওপর পড়লেও বিক্রেতা দ্রব্যের দামের সাথে কর যুক্ত করে চূড়ান্ত বোঝা বা আপতন ক্রেতার ওপর চাপিয়ে দিতে পারেন, তাকে ‘পরোক্ষ কর’ বলে। ভারতে বহুবিধ পরোক্ষ করের জটিলতা ও ‘করের ওপর কর’ (Cascading Effect) দূর করে “এক দেশ, এক কর, এক বাজার” গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে একক পরোক্ষ কর হিসেবে ‘পণ্য ও পরিষেবা কর’ (GST – Goods and Services Tax) চালু করা হয়েছে।
৪. প্রশ্ন: সরকারি বাজেটে ‘রাজস্ব ঘাটতি’ (Revenue Deficit), ‘রাজকোষীয় ঘাটতি’ (Fiscal Deficit) এবং ‘প্রাথমিক ঘাটতি’ (Primary Deficit) কাকে বলে?
উত্তর: (১) রাজস্ব ঘাটতি: সরকারের মোট রাজস্ব ব্যয় যখন মোট রাজস্ব প্রাপ্তির চেয়ে বেশি হয় (রাজস্ব ঘাটতি = রাজস্ব ব্যয় – রাজস্ব প্রাপ্তি); (২) রাজকোষীয় ঘাটতি: ঋণ বাদে সরকারের মোট প্রাপ্তির (রাজস্ব প্রাপ্তি + ঋণ-বহির্ভূত মূলধনী প্রাপ্তি) তুলনায় সরকারের মোট ব্যয় (রাজস্ব ব্যয় + মূলধনী ব্যয়) যতটা বেশি হয়, তাকে ‘রাজকোষীয় ঘাটতি’ বলে—এটি প্রকৃতপক্ষে সরকারের মোট ঋণের প্রয়োজনীয়তা (Total Borrowing Requirement) নির্দেশ করে; এবং (৩) প্রাথমিক ঘাটতি: চলতি বছরের রাজকোষীয় ঘাটতি থেকে পূর্ববর্তী ঋণের ‘সুদ পরিশোধ’ (Interest Payments) বাবদ ব্যয় বিয়োগ করলে যা থাকে তাকে ‘প্রাথমিক ঘাটতি’ (Primary Deficit = Fiscal Deficit – Interest Payments) বলে।
৫. প্রশ্ন: ‘বহির্উৎসায়ণ’ বা ‘আউটসোর্সিং’ (Outsourcing / BPO) কী এবং ভারত কেন বিশ্বের প্রধান আউটসোর্সিং কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে?
উত্তর: যখন কোনো দেশীয় বা বহুজাতিক কোম্পানি তাদের নিজস্ব নিয়মিত ব্যবসায়িক কাজ (যেমন: গ্রাহক পরিষেবা বা কল সেন্টার, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, হিসাবরক্ষণ, মেডিকেল ট্রান্সক্রিপশন) কম খরচে ও দক্ষতার সাথে করানোর জন্য বাইরের কোনো সংস্থা বা অন্য দেশের (বিশেষত ভারতের) কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়, তখন তাকে ‘আউটসোর্সিং’ বা ‘বিপিও’ (Business Process Outsourcing) বলে। ভারতে তুলনামূলক কম মজুরিতে লক্ষ লক্ষ ইংরেজি-জানা ও কম্পিউটার-দক্ষ তরুণ প্রকৌশলী ও কর্মীর সহজলভ্যতা এবং উন্নত ইন্টারনেট ও টেলিকম পরিকাঠামোর কারণে ভারত বিশ্বের এক নম্বর আউটসোর্সিং গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
৬. প্রশ্ন: ‘লরেঞ্জ রেখা’ (Lorenz Curve) ও ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি’ (Inclusive Growth) বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ১৯০৫ সালে মার্কিন অর্থনীতিবিদ ম্যাক্স ও. লরেঞ্জ উদ্ভাবিত যে লেখচিত্রের সাহায্যে কোনো দেশের জনসংখ্যার মধ্যে জাতীয় আয় বা সম্পদের বণ্টনগত অসাম্য (Income Inequality) পরিমাপ করা হয়, তাকে ‘লরেঞ্জ রেখা’ বলে (৪৫° পূর্ণ সমতার রেখা থেকে লরেঞ্জ রেখাটি যত দূরে সরে যায়, আয় বৈষম্য ও গিনি সহগের মান তত বেশি হয়)। আর যে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সুফল কেবল মুষ্টিমেয় ধনী শ্রেণির হাতে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজের দরিদ্রতম, প্রান্তিক ও অনগ্রসর মানুষসহ সকলের কাছে সমানভাবে পৌঁছায় এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, তাকে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি’ (Inclusive Growth) বলে।
২. বিভাগ – খ: ৫/৮ নম্বরের রচনামূলক বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (LAQ — নিশ্চিত কমন)
প্রশ্ন ১: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) ঋণ নিয়ন্ত্রণের পরিমাণগত ও গুণগত পদ্ধতিগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক কীভাবে ‘ঋণ বা আমানত সৃষ্টি’ (Credit Creation) করে তা ব্যাখ্যা করো। (৫/৮ নম্বর)
উত্তর:
১. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Credit Control Methods): দেশের অর্থনীতিতে অর্থের জোগান ও মুদ্রাস্ফীতি বা মুদ্রাসংকোচন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (RBI) বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির ঋণদানের ক্ষমতাকে দুই ধরনের পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে—
প্রথমত, পরিমাণগত বা সাধারণ ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Quantitative Methods): (ক) ব্যাংক রেট ও রেপো রেট নীতি: মুদ্রাস্ফীতির সময় RBI ব্যাংক রেট ও রেপো রেট বাড়িয়ে দেয়; ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির ঋণ নেওয়ার খরচ বেড়ে যায় এবং তারাও জনসাধারণকে উচ্চ সুদে কম ঋণ দেয়, ফলে অর্থের জোগান কমে। (খ) খোলা বাজারের কারবার (Open Market Operations – OMO): মুদ্রাস্ফীতি কমাতে RBI খোলা বাজারে সরকারি ঋণপত্র (Government Securities) বিক্রি করে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও জনগণের হাত থেকে অতিরিক্ত নগদ অর্থ তুলে নেয়; আর মন্দার সময় ঋণপত্র কিনে বাজারে অর্থের জোগান বাড়ায়। (গ) নগদ জমার অনুপাত (CRR) ও বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) পরিবর্তন: RBI যখন CRR বা SLR-এর হার বাড়িয়ে দেয়, তখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে বেশি অর্থ জমা রাখতে হয় এবং তাদের ঋণদানের ক্ষমতা সঙ্গে সঙ্গে কমে যায়।
দ্বিতীয়ত, গুণগত বা নির্বাচনমূলক ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Qualitative / Selective Methods): ফাটকা কারবারে ঋণ রুখতে RBI নির্দিষ্ট পণ্যের বন্ধকি ঋণে ‘ন্যূনতম প্রান্তিক বা মার্জিন’ (Margin Requirement) বাড়িয়ে দেয়, ভোগ্যপণ্যের কিস্তি ঋণে বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে ‘নৈতিক প্রণোদনা’ (Moral Suasion) বা প্রত্যক্ষ নির্দেশ দান করে।
২. বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানত বা ঋণ সৃষ্টি প্রক্রিয়া (Credit Creation by Commercial Banks): প্রবাদ আছে—“আমানত থেকে ঋণের সৃষ্টি হয় এবং সেই ঋণ আবার নতুন আমানতের জন্ম দেয়।” কোনো ব্যক্তি যখন বাণিজ্যিক ব্যাংকে প্রাথমিকভাবে নগদ অর্থ জমা দেন (ধরা যাক ₹1,000), তাকে ‘প্রাথমিক আমানত’ (Primary Deposit) বলে। অভিজ্ঞতা থেকে ব্যাংক জানে যে সব আমানতকারী একই দিনে সমস্ত টাকা তুলতে আসেন না। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত ন্যূনতম নগদ জমার অনুপাত (CRR, ধরা যাক 10% বা ₹100) হাতে রেখে বাকি অতিরিক্ত অর্থ (₹900) ব্যাংক অন্য কোনো ব্যবসায়ীকে ঋণ দেয়। ব্যাংক এই ঋণের টাকা নগদে না দিয়ে ঋণগ্রহীতার নামে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে জমা করে—যাকে ‘উদ্ভূত আমানত’ (Derivative Deposit) বলে। ওই ঋণগ্রহীতা চেকের মাধ্যমে সেই ₹900 খরচ করলে তা আবার ব্যাংকে জমা পড়ে এবং ব্যাংক তার 10% (₹90) রেখে বাকি ₹810 আবার ঋণ দেয়। এভাবে অর্থ গুণক বা আমানত গুণক (Credit Multiplier = 1 / CRR = 1 / 10% = 10) প্রক্রিয়ায় ₹1,000-এর প্রাথমিক আমানত থেকে গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থা মোট ₹1,000 × 10 = ₹10,000 মূল্যের মোট আমানত বা ঋণ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ২: ভারতের শিল্পোন্নয়নে ‘মহলানবীশ মডেল’ (২য় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা) এবং ‘১৯৯১ সালের নতুন শিল্পনীতি ও উদারীকরণ’ (Industrial Liberalization)-এর বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব আলোচনা করো। (৫/৮ নম্বর)
উত্তর:
১. দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৫৬–৬১) ও প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ মডেল: ভারতের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং ১৯৫৬ সালের শিল্পনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি ছিল ভারতীয় রাশিবিজ্ঞানের জনক অধ্যাপক প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ-এর দ্বি-ক্ষেত্র ও চতুর্ক্ষেত্র বৃদ্ধি মডেল। এই মডেলের মূল বক্তব্য ছিল যে, দীর্ঘমেয়াদে দ্রুত ও স্বনির্ভর অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ভোগ্যপণ্য শিল্পের পরিবর্তে ভারী ও মূলধনি দ্রব্য শিল্পের (Heavy and Basic Capital Goods Industries — যেমন: লৌহ-ইস্পাত, ভারী যন্ত্রপাতি, বিদ্যুৎ, কয়লা ও রাসায়নিক শিল্প) ওপর সর্বাধিক বিনিয়োগ করতে হবে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে দুর্গাপুর, ভিলাই ও রাউরকেল্লায় তিনটি বৃহৎ ইস্পাত কারখানা স্থাপিত হয় এবং ভারতের শিল্প ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। তবে এই মডেলে কৃষিক্ষেত্র ও ভোগ্যপণ্য শিল্প কিছুটা উপেক্ষিত হওয়ায় খাদ্যসংকট ও মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছিল এবং কঠোর সরকারি নিয়ন্ত্রণের ফলে ‘লাইসেন্স-পারমিট রাজ’ তৈরি হয়েছিল।
২. ১৯৯১ সালের নতুন শিল্পনীতি ও শিল্পমুক্তিকরণ (New Industrial Policy 1991): ১৯৯০–৯১ সালের তীব্র বৈদেশিক মুদ্রা সংকট ও রাজকোষীয় ঘাটতির পটভূমিতে ভারত সরকার ১৯৯১ সালের ২৪ জুলাই ঐতিহাসিক ‘নতুন শিল্পনীতি’ ঘোষণা করে, যার ৩টি প্রধান স্তম্ভ ছিল উদারীকরণ (Liberalization), বেসরকারিকরণ (Privatization) এবং বিশ্বায়ন (Globalization)। এর প্রধান পদক্ষেপগুলি ছিল—(ক) শিল্প লাইসেন্সিং প্রথার অবসান: মাত্র কয়েকটি কৌশলগত ও পরিবেশ-সংবেদনশীল শিল্প ছাড়া বাকি সমস্ত শিল্পে কারখানা খোলার জন্য সরকারি লাইসেন্স নেওয়ার প্রথা তুলে দেওয়া হয়। (খ) সরকারি ক্ষেত্রের সংকোচন ও বিলগ্নিকরণ: সরকারি খাতের জন্য সংরক্ষিত শিল্পের সংখ্যা ১৭ থেকে কমিয়ে মাত্র ২টিতে (পারমাণবিক শক্তি ও রেল পরিবহণ) আনা হয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার শেয়ার বিক্রি বা বিলগ্নিকরণ (Disinvestment) শুরু হয়। (গ) MRTP আইনের সংস্কার ও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI)-এর অবারিত সুযোগ: একচেটিয়া কারবার নিয়ন্ত্রণ আইনের বাধা দূর করা হয় এবং বিদেশি মূলধন ও উন্নত প্রযুক্তির অবাধ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ফলে ভারতে মোটরগাড়ি, টেলিকম, ভোগ্যপণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছে।
প্রশ্ন ৩: ‘মানব উন্নয়ন সূচক’ (HDI – Human Development Index) কী? এর তিনটি মূল উপাদান ব্যাখ্যা করো এবং ভারতের দারিদ্র্য সমস্যার কারণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণে সরকারি কর্মসূচিগুলি আলোচনা করো। (৫/৮ নম্বর)
উত্তর:
১. মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) ও তার তিনটি উপাদান: কেবল মাথাপিছু জাতীয় আয় বৃদ্ধি দিয়ে কোনো দেশের মানুষের প্রকৃত কল্যাণ পরিমাপ করা যায় না। তাই ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব-উল-হক এবং নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অমর্ত্য সেনের তত্ত্বের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) মানুষের জীবনযাত্রার প্রকৃত মান পরিমাপের জন্য ‘মানব উন্নয়ন সূচক’ (HDI) প্রকাশ শুরু করে। HDI-এর মান 0 থেকে 1-এর মধ্যে থাকে এবং এটি ৩টি মৌলিক সূচক বা মাত্রার জ্যামিতিক গড়ের সাহায্যে পরিমাপ করা হয়—প্রথমত, দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন (স্বাস্থ্য সূচক): যা জন্মের সময় প্রত্যাশিত গড় আয়ু (Life Expectancy at Birth) দ্বারা পরিমাপ করা হয়। দ্বিতীয়ত, জ্ঞানের প্রসার বা শিক্ষা সূচক: যা বিদ্যালয়ে গড় শিক্ষাবর্ষ (Mean Years of Schooling) এবং প্রত্যাশিত শিক্ষাবর্ষ (Expected Years of Schooling) দ্বারা পরিমাপ করা হয়। তৃতীয়ত, উন্নত জীবনযাত্রার মান (আয় সূচক): যা ক্রয়ক্ষমতার সমতা (PPP $) অনুযায়ী মাথাপিছু স্থূল জাতীয় আয় (GNI per capita) দ্বারা পরিমাপ করা হয়। বর্তমানে ভারত মধ্যম মানব উন্নয়ন (Medium Human Development) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
২. ভারতের দারিদ্র্য সমস্যার কারণ ও দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচি: ভারতে ব্যাপক দারিদ্র্যের প্রধান কারণগুলি হলো জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, কৃষির স্বল্প উৎপাদনশীলতা ও ছদ্ম বেকারত্ব, শিল্পের অপর্যাপ্ত কর্মসংস্থান, সম্পদ ও জমির অসম বণ্টন এবং দীর্ঘমেয়াদি মুদ্রাস্ফীতি। দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার ত্রি-মুখী কৌশল গ্রহণ করেছে—(ক) মজুরিভিত্তিক ও স্বনির্ভর কর্মসংস্থান প্রকল্প: মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (MGNREGA — ১০০ দিনের কাজ), জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশন (NRLM / পশ্চিমবঙ্গের ‘আনন্দধারা’ স্বনির্ভর গোষ্ঠী প্রকল্প) এবং প্রধানমন্ত্রী স্বরোজগার ও মুদ্রা যোজনা। (খ) খাদ্য ও ন্যূনতম চাহিদা পূরণ প্রকল্প: গণবণ্টন ব্যবস্থা (PDS / দুয়ারে রেশন ও খাদ্যসাথী প্রকল্প), অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা, মিড-ডে মিল (পিএম পোষণ) এবং গ্রামীণ আবাস যোজনা। (গ) সামাজিক সুরক্ষা ও নারী ক্ষমতায়ন প্রকল্প: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী এবং বার্ধক্য ও বিধবা ভাতা প্রকল্প, যা গ্রামীণ ও প্রান্তিক পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা ও মানব উন্নয়নকে সুদৃঢ় করেছে।
প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক
উচ্চমাধ্যমিক ৩য় ও ৪র্থ সেমিস্টার সমস্ত বিষয়ের সাজেশন ও পিডিএফ বুক ডাউনলোড:
- উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেমিস্টার অল-সাবজেক্ট পিডিএফ বুক স্টোর: দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের সমস্ত নোট বই | WBCHSE Semester 1–4 PDF Store
- উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেমিস্টার বাংলা, ইংরেজি, ভূগোল ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান: দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের বাংলা নোট ও সাজেশন PDF | দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের ইংরেজি নোট বই PDF | দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের ভূগোল নোট বই PDF
- উচ্চমাধ্যমিক সেমিস্টার ৪ অল-সাবজেক্ট ক্যাটাগরি হাব: Class 12 Semester 4 (SAQ & LAQ) | উচ্চমাধ্যমিক সাজেশন ২০২৭
উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)
প্রশ্ন ১: উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার অর্থনীতি (Economics) পরীক্ষায় মোট কত নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয়?
উত্তর: দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার অর্থনীতিতে মোট ৪০ নম্বরের বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা (২ নম্বর, ৩ নম্বর ও ৫/৮ নম্বরের বড়ো প্রশ্ন) অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্ন ২: অর্থ ও ব্যাংকিং এবং সরকারি বাজেট (Unit 1 ও 2) থেকে কোন বড়ো প্রশ্নগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: (১) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (RBI) ঋণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, (২) বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণ বা আমানত সৃষ্টি প্রক্রিয়া, (৩) চাহিদা-বৃদ্ধিজনিত ও ব্যয়-বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি এবং (৪) রাজকোষীয় ঘাটতির বিভিন্ন প্রকারভেদ ও GST।
প্রশ্ন ৩: ভারতীয় অর্থনীতি (Unit 3, 4 ও 5) থেকে কোন প্রশ্নগুলি অবশ্যই পড়তে হবে?
উত্তর: মহলানবীশ মডেল ও ১৯৯১ সালের শিল্পমুক্তিকরণ নীতি, ভারতের সেবা খাত (IT ও আউটসোর্সিং)-এর বৃদ্ধি এবং মানব উন্নয়ন সূচক (HDI), লরেঞ্জ রেখা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ কর্মসূচি।





