অষ্টম শ্রেণীর রাসায়নিক বিক্রিয়া বড়ো প্রশ্ন ও উত্তর pdf,ক্লাস 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর রাসায়নিক বিক্রিয়া
প্রশ্নঃ- বিক্রিয়ক কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিক্রিয়ক : যেসব পদার্থ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাদের বিক্রিয়ক বা বিকারক বা বিক্রিয়াকারী পদার্থ বলে।
প্রশ্নঃ- তড়িৎলেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং-এর উদ্দেশ্য কী?
উত্তর:- ইলেকট্রোপ্লেটিং এর উদ্দেশ্য : (i) ধাতব পদার্থগুলিকে জলবায়ুর প্রকোপ থেকে রক্ষা করা।
(ii) ধাতব পদার্থের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা।
প্রশ্নঃ- অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- যে পদার্থ কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শুধু উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় বা কমায় এবং বিভি শেষে পদার্থটির ভর ও রাসায়নিক গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- ভিজে হাতে ইলেকট্রিক সুইচে হাত দেওয়া উচিত নয় কেন?
উত্তর:- বিশুদ্ধ জল তড়িৎ এর সুপরিবাহী নয়। কিন্তু জলে উপস্থিত একাধিক লবণ বা ধাতব যৌগ তড়িৎ পরিবাহী করে তোলে। এই কারণে ভিজে হাতে সুইচ বা অন্য কোন ইলেকট্রিকের সরঞ্জামে হাত দিলে শক লাগার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভিজে হাতে কখনোই ইলেকট্রিকের সুইচে হাত দিতে নেই।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে?
উত্তর:- যে প্রক্রিয়ায় গলিত বা দ্রবণে দ্রবীভূত অবস্থায় কোন মধ্য দিয়ে তড়িৎ পাঠালে পদার্থটির রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় সেই প্রক্রিয়াকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।
প্রশ্নঃ- জারক পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- জারক পদার্থ : যেসব পদার্থ নিজে বিজারিত হয়ে অন্য পদার্থকে জারিত করে তাদের জারক পদার্থ বলে। যেমন—অক্সিজেন (O), ব্রোমিন (B12), ক্লোরিন (Cl2), ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড (MnO) ইত্যাদি জারক পদার্থ।
প্রশ্নঃ- বিজারক পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিজারক পদার্থ : যেসব পদার্থ নিজে জারিত হয়ে অন্য পদার্থকে বিজারিত করে তাদের বিজারক পদার্থ বলে। যেমন—হাইড্রোজেন (H)), হাইড্রোজেন সালফাইড (HS), কার্বন (গ), কার্বন মনোক্সাইড (CO) ইত্যাদি বিজারক পদার্থ।
প্রশ্নঃ- ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎলেপন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- তড়িৎকে কাজে লাগিয়ে রাসায়নিক পদ্ধতিতে এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎলেপন বলে। যেমন—তড়িবিশ্লেষণ পদ্ধতিতে লোহার তৈরি চামচ, বাটি, থালা ইত্যাদির উপর নিকেলের সূক্ষ্ম আস্তরণ দেওয়া।
প্রশ্নঃ- একটি অধাতব তড়িৎ পরিবাহীর উদাহরণ দাও।
উত্তর:- গ্রাফাইট।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় পরিবাহী তামার তারের উপর প্লাস্টিকের আস্তরণ তা হয় কেন?
উত্তর:- প্লাস্টিক অন্তরক পদার্থ হওয়ায় কোনভাবে তারগুলির মাধ্যমে শক লাগলে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই পরিবাহী তামার তারের উপর প্লাস্টিকের আস্তরণ দেওয়া হয়।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে?
উত্তর:- যে প্রক্রিয়ায় এক বা একাধিক পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থগুলির অণুর গঠন পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট অণু গঠিত হয় তাকে বিক্রিয়া বলে।
প্রশ্নঃ- অনুঘটক কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর:- অনুঘটক প্রধানত দুই রকমের হয়—
(i) ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটক এবং
(ii) ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক।
প্রশ্নঃ- অ্যানোড এবং ক্যাথোড কাকে বলে?
উত্তর:- তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যে তড়িৎ দ্বারটি ব্যাটারীর ধনাত্বক মেরুর প্রান্তের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে অ্যানোড বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যে তড়িৎ দ্বারটি ব্যাটারির ঋণাত্মক মেরুর সঙ্গে যুক্ত থাকে তাকে ক্যাথোড বলে।
প্রশ্নঃ- অ্যানোডে ও ক্যাথোডে কি প্রকারের বিক্রিয়া ঘটে?
উত্তর:- অ্যানোডে জারণ এবং ক্যাথোডে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে।
প্রশ্নঃ- ধনাত্মক অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটকঃ যে অনুঘটক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় তাকে ধনাত্মক অনুঘটক বা পরা অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- ঋণাত্মক অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক : যে অনুঘটক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ কমিয়ে দেয়, তাকে ঋণাত্মক অনুঘটক বা অপরা অনুঘটক বলে।
প্রশ্নঃ- জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় জলে কি মেশানো হয়?
উত্তর:- জলের তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় জলে কয়েক ফোঁটা লঘু সালফিউরিক অ্যাসিড মেশানো হয়।
প্রশ্নঃ- তড়িৎ লেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং কাকে বলে?
উত্তর:- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিকভাবে অধিক সক্রিয় কোন ধাতুর ওপর অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার পদ্ধতিকে তড়িৎ লেপন বা ইলেকট্রোপ্লেটিং বলা হয়।
প্রশ্নঃ- বিক্রিয়াজাত পদার্থ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর:- বিক্রিয়াজাত পদার্থ : রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে যেসব পদার্থ উৎপন্ন হয়। তাদের বিক্রিয়াজাত পদার্থ বলে।
প্রশ্নঃ- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় দ্রাবকের ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর:- দুটো কঠিনের গুঁড়োকে মেশালেই তাদের অণু বা আয়নরা পরস্পর মেশার সুযোগ পায় না। দ্রাবকের অণুরা এসে বিক্রিয়কের মধ্যে থাকা অণু বা আয়নদের আলাদা করে ফেলে। তখন বিক্রিয়া শুরু হয়।
প্রশ্নঃ- গ্যালভানাইজেশন কাকে বলে? এর প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর:- লোহার উপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতু জিংকের প্রলেপ দেওয়া কে গ্যালভানাইজেশন বলে।
প্রয়োজনীয়তা- লোহার তৈরি দ্রব্য বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে এলে তাতে মরচে পড়ে। ফলে লোহা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্প থেকে রক্ষা করতে তার ওপর প্রলেপ দেওয়া হয়।
প্রশ্নঃ- কোন ধাতুর তৈরি জিনিসের উপর তামার প্রলেপ দিতে তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসাবে কি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর:- কোন ধাতুর তৈরি জিনিসের ওপর তামার তড়িৎ লেপন এর জন্য তড়িৎ বিশ্লেষ্য হিসেবে কয়েক ফোটা সালফিউরিক অ্যাসিড মিশ্রিত কপার সালফেটের জলীয় দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ- সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট নিয়ে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে হলে তুমি কোন্ দ্রাবক বেছে নেবে?
উত্তর:- সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট আয়নীয় যৌগ। আয়নীয় যৌগগুলি জলে বেশি দ্রাব্য। কোনো জৈব দ্রাবক, যেমন—বেঞ্জিন, ইথার, ক্লোরোফর্ম ইত্যাদিতে খুব কম দ্রাব্য। তাই সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সোডিয়াম নাইট্রেট নিয়ে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে হলে দ্রাবক হিসেবে জলকে বেছে নেব।
প্রশ্নঃ- ঋণাত্মক অনুঘটকের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর:- সাধারণ উয়তায় হাইড্রোজেন পারক্সাইড খুব সহজেই বিয়োজিত হয়ে জল ও অক্সিজেনে পরিণত হয়। কিন্তু হাইড্রোজেন পারক্সাইডের মধ্যে সামান্য ফসফোরিক অ্যাসিড মিশিয়ে দিলে হাইড্রোজেন পারক্সাইডের বিয়োজনের গতিবেগ কমে যায় এবং হাইড্রোজেন পারক্সাইডের স্থায়িত্ব বাড়ে। এখানে ফসফোরিক অ্যাসিড ঋণাত্মক অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।
প্রশ্নঃ- সমযোজী যৌগ কাকে বলে?
উত্তর:- যে সমস্ত যৌগের অনু একাধিক পরমাণুর ইলেকট্রন জোড়কে সমান ভাবে ব্যবহার করে গঠিত হয় তাকে সমযোজী যৌগ বলে।
প্রশ্নঃ- সমযোজী যৌগের একটি বন্ধন কটি ইলেক্ট্রন দ্বারা গঠিত?
উত্তর:- সমযোজী যৌগের একটি বন্ধন দুটি ইলেক্ট্রন দ্বারা গঠিত।
প্রশ্নঃ- অনুঘটকের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- অনুঘটকের বৈশিষ্ট্য :
(i) অনুঘটক বিক্রিয়ায় উপস্থিত থেকে বিক্রিয়ার বেগ বাড়ায় বা কমায়। বিক্রিয়ার শেষে তাকে আবার ফিরে পাওয়া যায়।
(ii) অনুঘটক কোনো বিক্রিয়া আরম্ভ বা শেষ করতে পারে না।
(iii) বিক্রিয়াজাত পদার্থের পরিমাণ অনুঘটকের ওপর নির্ভর করে না।
(iv) এমন কোনো অনুঘটক হয় না যা সব বিক্রিয়ার বেগ বাড়াতে পারবে।
প্রশ্নঃ- অনুঘটকের গুরুত্ব উল্লেখ করো।
উত্তর:- অনুঘটকের গুরুত্ব :
(i) অনুঘটক ব্যবহার করে বিক্রিয়ার বেগ বাড়িয়ে বিক্রিয়াজাত পদার্থের পরিমাণ বাড়ানো যায়।
(ii) অনুঘটক ব্যবহারের ফলে বাইরে থেকে প্রযুক্ত শক্তির (তাপ) পরিমাণ কম লাগে
প্রশ্নঃ- মূলক কাকে বলে?
উত্তর:- একাধিক পরমাণু জোটবদ্ধ হয়ে যে আয়ন তৈরি করে তাকে বলা হয় মূলক বা Radical। যেমন – নাইট্রেট ( NO3- ) মূলক নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত।
প্রশ্নঃ- জৈব অনুঘটক কাকে বলে?
উত্তর:- জীবকোশে বিভিন্ন রকম রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে যেসব প্রোটিন জাতীয় যৌগ অনুঘটক হিসেবে কাজ করে তাদের জৈব অনুঘটক বলে। যেমন—বিভিন্ন ধরনের এনজাইম হল জৈব অনুঘটক।
প্রশ্নঃ- মানবদেহে এনজাইমের ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর:- খাবারের বিভিন্ন উপাদান, যেমন—প্রোটিন, শর্করা, লিপিড ইত্যাদি হজম করতে নানান এনজাইম অপরিহার্য। আমাদের দেহে খাদ্য থেকে শক্তি তৈরি করতে, নতুন নতুন প্রোটিন তৈরি করতে, ডি.এন.এ. তৈরি করতে, কোশের মধ্যে ক্ষতিকারক যৌগকে নষ্ট করতে নানারকমের এনজাইম লাগে। এনজাইম ছাড়া কোনো কোশ বাঁচতে পারে না।
প্রশ্নঃ- পদার্থের চতুর্থ অবস্থাটি কি?
উত্তর:- পদার্থের চতুর্থ অবস্থা হল প্লাজমা অবস্থা। এই অবস্থায় পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বল পরমাণুর মধ্যে কার ইলেকট্রন কে ধরে রাখতে পারেনা। এই প্রচন্ড গরম গ্যাসীয় অবস্থায় আলাদা আলাদা হয়ে দৌড়াদৌড়ি করে পরমাণুর নিউক্লিয়াস আর ইলেকট্রন। বিজ্ঞানীদের অনুমান সূর্যের কেন্দ্রে এই প্লাজমার উষ্ণতা প্রায় এক কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস।
প্রশ্নঃ- জৈব অনুঘটকের একটি কাজ দেখাও।
উত্তর:- একটি পাত্রে কিছুটা হাইড্রোজেন পারক্সাইড নিয়ে তাতে জল মেশানো হল।দেখা যাবে খুব ধীরে ধীরে বুদ্বুদ আকারে অক্সিজেন নির্গত হচ্ছে। এখন ওই দ্রবণে একটি সদ্য কাটা আলুর টুকরো দেওয়া হল। এখন দেখা যাবে খুব তাড়াতাড়ি অক্সিজেনের বুদবুদ বের হচ্ছে। আলুর ক্যাটালেজ (Catalase) এনজাইম হাইড্রোজেন পারক্সাইডের বিয়োজন খুব দ্রুত করে।
প্রশ্নঃ- পরমাণুর নিউক্লিয়াস কাকে বলে?
উত্তর:- পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভরই তার মাঝখানে অতি অল্প জায়গায় পুঞ্জিভূত থাকে। পরমাণুর মাঝখানের এই ভারী অংশকে নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রক বলে।
আশাকরি তোমাদের অষ্টম ক্লাসের মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায় থেকে সকল প্রশ্ন ও উত্তর কমপ্লিট হয়েছে। আমরা আমাদের সর্বাঙ্গীণ প্রচেষ্টা করেছি তোমাদের এই অষ্টম শ্রেণীর মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায় থেকে সব প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার জন্য, এখন কাজ হল তোমাদের বাড়িতে পড়ার । পড়তে থাকো , প্র্যাকটিস করতে থাকো, প্র্যাকটিস মানুষকে উত্তম করে তোলে। যত পড়বে তত শিখবে, ততই জ্ঞানী হবে।
তোমাদের অষ্টম ক্লাসের মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের প্রাকটিসের জন্য আমাদের কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারো, সম্পূর্ণ ফ্রিতে, নিচে লিঙ্ক দেওয়া আছে কুইজে অংশ নিতে পারো।
ক্লাস অষ্টম এর অন্যান্য অধ্যায় গুলি সম্পর্কে আরও পড়তে চাইলে নিচে অধ্যায় অনুযায়ী লিঙ্ক দেওয়া আছে, লিঙ্কে ক্লিক করে ক্লাস অষ্টম এর অন্য অধ্যায় গুলি পড়ে নাও। আমাদের পরিসেবা তোমাদের ভালো লাগলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে পারো।
তোমরা যারা মৌল, যৌগ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া (দ্বিতীয় অধ্যায়) – অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 8 Poribesh O Biggan Question and Answer (WBBSE) খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারো, আশাকরা যায় যে এখান থেকেই তোমরা কমন পেয়ে যাবে।
People also search to use these type of keywords like that
অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর
অষ্টম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান সহায়িকা pdf download
model activity task class 8 science part 1
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক class 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান
class 8 poribesh o bigyan question answer
ক্লাস 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
পরিবেশ ও বিজ্ঞান class 8
ক্লাস 8 বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
পরিবেশ ও বিজ্ঞান class 8 pdf
wbbse class 8 science question answer
model activity task class 8 পরিবেশ ও বিজ্ঞান
model activity task class 8 part 9 science
অষ্টম শ্রেণি পরিবেশ ও বিজ্ঞান