WBBSE & WBCHSE পর্ষদ (Class 5–12): সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা নোটস, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর PDF
WBBSE NOTE Logo
WBBSE NOTE
WBBSE & WBCHSE Portal • Class 5–12
মেনু
Logo WBBSE NOTE
Class 5 to 12 • WBBSE & WBCHSE Menu
✕

উচ্চমাধ্যমিক 3য় সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Geography Semester 3 MCQ Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (৩৫ নম্বর নতুন সিলেবাস)

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)-এর নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশ শ্রেণির (Class 12 / HS) ছাত্রছাত্রীদের জন্য সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ৩য় সেমিস্টার ভূগোল পরীক্ষা (Semester 3 Geography — ৩৫ নম্বরের সম্পূর্ণ OMR-ভিত্তিক MCQ পরীক্ষা) ৩৫-এ ৩৫ পাওয়ার সবচেয়ে বড়ো সুযোগ। সংসদের নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী আমাদের এই উচ্চমাধ্যমিক 3য় সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন (দ্বাদশ শ্রেণি তৃতীয় সেমিস্টার ভূগোল সম্পূর্ণ MCQ সাজেশন ও WBCHSE Class 12 Geography Semester 3 MCQ Suggestion PDF) আর্টিকেলে আমরা প্রাকৃতিক ভূগোল, মানবীয় ভূগোল এবং ভারতের ভূগোলের প্রতিটি অধ্যায় থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ৪৫টি MCQ প্রশ্ন ও উত্তর পরিষ্কার প্যারাগ্রাফে সাজিয়ে দিয়েছি।

তৃতীয় সেমিস্টারের ভূগোলের সম্পূর্ণ নোটবুক পিডিএফ ডাউনলোড করতে আমাদের সাইটের WBCHSE Class 12 Semester 3 Geography PDF Book Download এবং বুক স্টোর দ্বাদশ শ্রেণীর তৃতীয় সেমিস্টারের ভূগোল নোট বই PDF দেখে নিতে পারো।

উচ্চমাধ্যমিক 3য় সেমিস্টার ভূগোল নতুন সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (WBCHSE Class 12 Semester 3 Geography Syllabus & Blueprint)

দ্বাদশ শ্রেণির ভূগোলে মোট ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা (৩য় সেমিস্টারে ৩৫ নম্বর MCQ + ৪র্থ সেমিস্টারে ৩৫ নম্বর SAQ/LAQ) এবং ৩০ নম্বরের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা হয়। ৩য় সেমিস্টারের ৩৫ নম্বরের সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন নিচে দেওয়া হলো:

বিভাগ (Section / Group) নির্ধারিত পাঠ্য অধ্যায়সমূহ (Prescribed Chapters — Class 12 Geography Semester 3) প্রশ্নের ধরন (OMR Pattern) নির্ধারিত নম্বর
A. প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical Geography) ১. ভূগাঠনিক বিদ্যা (মহীসঞ্চরণ ও সমস্থিতি) ; ২. ভূমিরূপ প্রক্রিয়াসমূহ (আবহবিকার, পুঞ্জিত ক্ষয় ও কার্স্ট ভূমিরূপ) ; ৩. জলবায়ু (জেট বায়ু, মৌসুমি বায়ু, এল নিনো) ; ৪. বারিমণ্ডল ; ৫. জীবমণ্ডল (বাস্তুতন্ত্র ও শক্তিপ্রবাহ) সাধারণ MCQ, স্তম্ভ মেলানো ও বিবৃতি-কারণ ১৫ নম্বর (১৫টি MCQ)
B. মানবীয় ভূগোল (Human Geography) ১. জনসংখ্যা (জনঘনত্ব, বণ্টন ও পরিব্রাজন) ; ২. জনবসতি (গ্রামীণ ও পৌর বসতির শ্রেণিবিভাগ ও ধরন) সাধারণ MCQ ও চিত্রভিত্তিক বসতি নকশা ১০ নম্বর (১০টি MCQ)
C. ভারতের ভূগোল (Geography of India) ১. ভারতের জনসংখ্যা ; ২. জলসম্পদ ও জলসেচ ; ৩. খনিজ ও শক্তিসম্পদ ; ৪. কৃষিকাজ (সবুজ বিপ্লব) ; ৫. পরিবহণ ও যোগাযোগ ; ৬. বাণিজ্য ও অর্থনীতি তথ্যভিত্তিক MCQ ও স্তম্ভ মেলানো ১০ নম্বর (১০টি MCQ)
সর্বমোট লিখিত নম্বর (Total Semester 3) সম্পূর্ণ OMR Sheet ভিত্তিক বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (MCQ) মোট ৩৫টি প্রশ্ন × ১ নম্বর ৩৫ নম্বর

১. বিভাগ A: প্রাকৃতিক ভূগোল (ভূগাঠনিক বিদ্যা, ভূমিরূপ প্রক্রিয়া, জলবায়ু, বারিমণ্ডল ও জীবমণ্ডল) — সেরা ২০টি MCQ প্রশ্ন উত্তর

১. প্রশ্ন: ‘মহীসঞ্চরণ তত্ত্ব’ (Continental Drift Theory)-এর প্রবক্তা কে এবং তিনি একত্রিত আদি মহাদেশ ও মহাসাগরটির কী নাম দিয়েছিলেন?

উত্তর: জার্মান আবহবিদ ও ভূপ্রকৃতিবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনার (১৯১২ খ্রিস্টাব্দে)। তিনি একত্রিত অখণ্ড আদি মহাদেশটির নাম দিয়েছিলেন ‘প্যানজিয়া’ (Pangaea) এবং তাকে ঘিরে থাকা বিশাল আদি মহাসাগরের নাম দিয়েছিলেন ‘প্যানথালাসা’ (Panthalassa)।

২. প্রশ্ন: ‘সমস্থিতি’ (Isostasy) শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন এবং সমস্থিতি সংক্রান্ত প্রধান দুটি তত্ত্ব কারা প্রবর্তন করেন?

উত্তর: ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন ভূতত্ত্ববিদ সি. ই. ডাটন (C.E. Dutton) সর্বপ্রথম ‘সমস্থিতি’ শব্দটি ব্যবহার করেন। সমস্থিতি সংক্রান্ত দুটি প্রধান তত্ত্বের প্রবক্তা হলেন স্যার জর্জ এইরি (ভাসমান তত্ত্ব বা শিকড় তত্ত্ব) এবং আর্চডিকন জন হেনরি প্রাট (প্রতিবিধান তেল তত্ত্ব)।

৩. প্রশ্ন: শুষ্ক ও উষ্ণ মরু অঞ্চলে যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলাস্তর পেঁয়াজের খোসার মতো খুলে পড়াকে এবং শিলাখণ্ড ভেঙে টুকরো টুকরো হওয়াকে কী বলে?

উত্তর: শিলাস্তর পেঁয়াজের খোসার মতো গোলাকারে খুলে পড়াকে ‘শল্কমোচন’ (Exfoliation) এবং শিলা ফেটে চৌকো বা চাঁই আকারে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে ‘প্রস্তরচাঁই বিচ্ছিন্নকরণ’ (Block Disintegration) বলে।

৪. প্রশ্ন: কোন রাসায়নিক আবহবিকার প্রক্রিয়ায় চুনাপাথর (ক্যালসিয়াম কার্বনেট) জলের সাথে বিক্রিয়া করে দ্রবীভূত হয় এবং কার্স্ট ভূমিরূপ গঠন করে?

উত্তর: অঙ্গারযোজন বা কার্বোনেশন (Carbonation) প্রক্রিয়ায় (বৃষ্টির জল বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে মিশে মৃদু কার্বনিক অ্যাসিডে পরিণত হয়ে চুনাপাথরকে ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেটে রূপান্তরিত করে দ্রবীভূত করে)।

৫. প্রশ্ন: চুনাপাথর গঠিত কার্স্ট অঞ্চলে নদীর জল যে সুড়ঙ্গ বা গর্ত দিয়ে ভূগর্ভে প্রবেশ করে তাকে কী বলে?

উত্তর: তাকে ‘সোয়ালো হোল’ (Swallow Hole) বা ‘সিঙ্ক হোল’ (Sink Hole / শৃঙ্খল গর্ত) বলা হয়। একাধিক সিঙ্ক হোল একত্রে মিলিত হয়ে বড়ো গর্ত তৈরি করলে তাকে ‘ডোলাইন’ ও আরও বড়ো হলে ‘উভালা’ এবং সবশেষে চ্যাপ্টা তলদেশযুক্ত বিশাল অবনমিত ক্ষেত্রকে ‘পোলজে’ (Polje) বলে।

৬. প্রশ্ন: চুনাপাথরের গুহার ছাদ থেকে ঝুলে থাকা এবং গুহার মেঝে থেকে ওপরের দিকে গড়ে ওঠা চুনের স্তম্ভকে কী বলে?

উত্তর: গুহার ছাদ থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকা চুনের স্তম্ভকে ‘স্ট্যালাকটাইট’ (Stalactite) এবং গুহার মেঝে থেকে ওপরের দিকে মাথা তুলে ওঠা স্তম্ভকে ‘স্ট্যালাগমাইট’ (Stalagmite) বলে। এই দুটি পরস্পর যুক্ত হয়ে গেলে তাকে ‘স্তম্ভ’ (Pillar / Column) এবং ছাদ থেকে পর্দার মতো ঝুললে তাকে ‘হেলিকটাইট’ বলে।

৭. প্রশ্ন: ‘টেরা রোসা’ (Terra Rossa) কী এবং এটি কোন অঞ্চলে দেখা যায়?

উত্তর: চুনাপাথর যুক্ত কার্স্ট অঞ্চলে কার্বোনেশন প্রক্রিয়ায় চুনাপাথর দ্রবীভূত হওয়ার পর অদ্রবণীয় লৌহ যৌগ সঞ্চিত হয়ে যে লাল রঙের কাদামাটির স্তর সৃষ্টি করে, তাকে ‘টেরা রোসা’ বলে।

৮. প্রশ্ন: ‘স্বাভাবিক ক্ষয়চক্র’ (Normal Cycle of Erosion) এবং ‘পেনিপ্লেন’ (সমপ্রায় ভূমি)-এর ধারণা কে প্রবর্তন করেন?

উত্তর: ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন ভূবিজ্ঞানী উইলিয়াম মরিস ডেভিস (W.M. Davis)। তিনি বলেছেন—“ভূমিরূপ হলো ভূ-গঠন, প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ের ফলশ্রুতি” (Landscape is a function of Structure, Process and Stage — যৌবন, পরিণত ও বার্ধক্য পর্যায়)। ডেভিস সমপ্রায় ভূমির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ক্ষয়প্রাপ্ত অবশিষ্ট টিলাগুলিকে ‘মোনাডনক’ (Monadnock) বলেছেন।

৯. প্রশ্ন: উর্ধ্ব ট্রপোস্ফিয়ারে সংকীর্ণ ও আঁকাবাঁকা পথে প্রবল বেগে প্রবাহিত বায়ুস্রোতকে কী বলা হয়?

উত্তর: ‘জেট বায়ুপ্রবাহ’ (Jet Stream)। ক্রান্তীয় পূবালি জেট বায়ু এবং উপক্রান্তীয় পশ্চিমা জেট বায়ু ভারতের মৌসুমি বায়ুর আগমন ও প্রত্যাগমনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

১০. প্রশ্ন: ‘এল নিনো’ (El Nino) এবং ‘লা নিনা’ (La Nina) কোন মহাসাগরে দেখা যায় এবং ভারতীয় মৌসুমি বায়ুর ওপর এদের প্রভাব কী?

উত্তর: দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে (পেরু ও ইকুয়েডর উপকূলে) দেখা যায়। এল নিনো (উষ্ণ সমুদ্রস্রোত) দেখা দিলে ভারতে মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয় বা খরা দেখা দেয়; আর লা নিনা (শীতল সমুদ্রস্রোত) দেখা দিলে ভারতে প্রচুর মৌসুমি বৃষ্টিপাত হয়।

১১. প্রশ্ন: সমুদ্র তলদেশের কোন অংশে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মৎস্যক্ষেত্র ও খনিজ তেলের ভাণ্ডার গড়ে ওঠে?

উত্তর: মহাদেশের প্রান্তভাগে অবস্থিত মৃদু ঢালযুক্ত (গড় ঢাল ১° বা তার কম এবং গভীরতা ২০০ মিটার পর্যন্ত) ‘মহীসোপান’ (Continental Shelf) অঞ্চলে।

১২. প্রশ্ন: পৃথিবীর গভীরতম সামুদ্রিক খাত কোনটি এবং এটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?

উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরের ‘মারিয়ানা খাত’ (Mariana Trench — চ্যালেঞ্জার ডিপ), যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার।

১৩. প্রশ্ন: ‘বাস্তুতন্ত্র’ (Ecosystem) শব্দটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?

উত্তর: ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ বাস্তুবিদ এ. জি. ট্যান্সলে (A.G. Tansley)।

১৪. প্রশ্ন: বাস্তুতন্ত্রে শক্তিপ্রবাহের ‘দশ শতাংশ সূত্র’ (10% Law of Energy Flow) কে প্রবর্তন করেন?

উত্তর: ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রেমন্ড লিন্ডেম্যান (Raymond Lindeman)। তাঁর সূত্র অনুযায়ী, একটি পুষ্টিস্তর থেকে পরবর্তী পুষ্টিস্তরে শক্তির স্থানান্তরের সময় কেবল ১০% শক্তি দেহগঠনে সঞ্চিত হয় এবং বাকি ৯০% শক্তি শ্বসন ও তাপ হিসেবে পরিবেশে বিনষ্ট হয়।

১৫. প্রশ্ন: বাস্তুতন্ত্রে শক্তিপ্রবাহ সর্বদা কী রূপ হয়?

উত্তর: একমুখী (Unidirectional)—সৌরশক্তি উৎপাদক (সবুজ উদ্ভিদ) থেকে ক্রমান্বয়ে প্রাথমিক, গৌণ ও প্রান্তিক খাদক স্তরে প্রবাহিত হয় এবং কখনো বিপরীত দিকে ফিরে আসে না।

২. বিভাগ B: মানবীয় ভূগোল (জনসংখ্যা ও জনবসতি) — সেরা ১০টি MCQ প্রশ্ন উত্তর

১৬. প্রশ্ন: ‘জনঘনত্ব’ (Population Density) এবং ‘মানুষ-জমি অনুপাত’ (Man-Land Ratio)-এর মূল পার্থক্য কী?

উত্তর: কোনো দেশ বা অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ও মোট জমির ক্ষেত্রফলের অনুপাতকে ‘জনঘনত্ব’ বলে; আর দেশের মোট জনসংখ্যা ও কেবল কার্যকরী বা চাষযোগ্য জমির ক্ষেত্রফলের অনুপাতকে ‘মানুষ-জমি অনুপাত’ বলে।

১৭. প্রশ্ন: ‘কাম্য জনসংখ্যা’ (Optimum Population) তত্ত্বের প্রবক্তা কে?

উত্তর: ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ এডউইন ক্যানান (Edwin Cannan) (যে জনসংখ্যায় দেশের সম্পদের পূর্ণ ব্যবহারের ফলে মাথাপিছু আয় সর্বাধিক হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে)।

১৮. প্রশ্ন: শুষ্ক মরু বা অর্ধ-মরু অঞ্চলে জলের উৎসের (হ্রদ, পুকুর বা মরূদ্যান) চারপাশে যে গোষ্ঠীবদ্ধ জনবসতি গড়ে ওঠে, তাকে কী বলে?

উত্তর: ‘আর্দ্র বিন্দু বসতি’ (Wet Point Settlement)। আর বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে উঁচু বাঁধ বা টিলার ওপর গড়ে ওঠা বসতিকে ‘শুষ্ক বিন্দু বসতি’ (Dry Point Settlement) বলে।

১৯. প্রশ্ন: রাস্তা, রেলপথ, নদী বা খালের পাড় বরাবর লম্বা সারিতে গড়ে ওঠা গ্রামীণ বসতিকে কী বলে?

উত্তর: ‘রৈখিক বা দণ্ডাকৃতি বসতি’ (Linear Settlement)। আর তিনটি বা চারটি রাস্তা যেখানে মিলিত হয় সেখানে যথাক্রমে ‘Y’ বা ‘T’ আকৃতির এবং ‘নক্ষত্রাকৃতি’ (Star-shaped) বসতি গড়ে ওঠে।

২০. প্রশ্ন: ‘মেগালোপলিস’ (Megalopolis) ও ‘কনারবেশন’ (Conurbation / পৌরপুঞ্জ) শব্দ দুটি কে প্রথম ব্যবহার করেন?

উত্তর: ‘মেগালোপলিস’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন জঁ গটম্যান (Jean Gottmann — ১৯৫৭) এবং ‘কনারবেশন’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন প্যাট্রিক গেডেস (Patrick Geddes — ১৯১৫)।

২১. প্রশ্ন: ভারতের জনগণনা অনুযায়ী ‘মহানগর’ (Metropolitan City) এবং ‘মেগাসিটি’ (Mega City) হতে গেলে ন্যূনতম জনসংখ্যা কত হতে হয়?

উত্তর: মহানগরের (Metro City) ক্ষেত্রে ন্যূনতম জনসংখ্যা ১০ লক্ষ বা তার বেশি এবং মেগাসিটির ক্ষেত্রে ন্যূনতম জনসংখ্যা ৫০ লক্ষের বেশি (রাষ্ট্রসংঘের মতে ১ কোটির বেশি) হতে হয়।

২২. প্রশ্ন: কার্যবলির ভিত্তিতে বারাণসী, পুরী ও হরিদ্বার কী ধরনের পৌর বসতি এবং জামশেদপুর ও দুর্গাপুর কী ধরনের শহর?

উত্তর: বারাণসী, পুরী ও হরিদ্বার হলো ‘ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক শহর’; এবং জামশেদপুর ও দুর্গাপুর হলো ‘শিল্প শহর’ (Industrial Towns)।

৩. বিভাগ C: ভারতের ভূগোল (জনসংখ্যা, জলসম্পদ, খনিজ, কৃষি ও পরিবহণ) — সেরা ১৫টি MCQ প্রশ্ন উত্তর

২৩. প্রশ্ন: ভারতের কোন দশককে ‘জনসংখ্যা বিস্ফোরণের দশক’ এবং কোন বছরকে ‘মহাবিভাজক বর্ষ’ (Year of Great Divide) বলা হয়?

উত্তর: ১৯৬১–১৯৭১ দশককে ভারতে জনসংখ্যা বিস্ফোরণের দশক বলা হয় (বৃদ্ধির হার ছিল ২৪.৮০%); এবং ১৯২১ সালকে জনসংখ্যার ‘মহাবিভাজক বর্ষ’ বলা হয় (কারণ ১৯১১–১৯২১ দশকে ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক বা −০.৩১% ছিল)।

২৪. প্রশ্ন: জনগণনা অনুযায়ী ভারতের সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য এবং সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য কোনটি?

উত্তর: সর্বাধিক জনবহুল রাজ্য হলো উত্তরপ্রদেশ এবং সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য হলো বিহার (১,১০৬ জন/বর্গকিমি; সর্বনিম্ন জনঘনত্ব অরুণাচল প্রদেশে — ১৭ জন/বর্গকিমি)।

২৫. প্রশ্ন: ভারতের কোন রাজ্যে বৃষ্টির জল সংরক্ষণ (Rainwater Harvesting) প্রতিটি বাড়িতে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?

উত্তর: তামিলনাড়ু রাজ্যে।

২৬. প্রশ্ন: ভারতের বৃহত্তম বহুমুখী নদী উপত্যকা প্রকল্প এবং দীর্ঘতম বাঁধ কোনটি?

উত্তর: শতদ্রু নদীর ওপর নির্মিত ‘ভাকরা-নাঙ্গাল প্রকল্প’ হলো বৃহত্তম নদী উপত্যকা প্রকল্প এবং মহানদীর ওপর নির্মিত ওড়িষার ‘হিরাকুঁদ বাঁধ’ হলো দীর্ঘতম বাঁধ।

২৭. প্রশ্ন: ভারতের প্রাচীনতম কয়লাখনি এবং বৃহত্তম কয়লাখনি কোনটি?

উত্তর: ভারতের প্রাচীনতম কয়লাখনি হলো পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ এবং বৃহত্তম কয়লাখনি হলো ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া। তামিলনাড়ুর নেইভেলি লিগনাইট কয়লার জন্য বিখ্যাত।

২৮. প্রশ্ন: ভারতের প্রাচীনতম খনিজ তেল উত্তোলন কেন্দ্র এবং বৃহত্তম সামুদ্রিক তৈলক্ষেত্র কোনটি?

উত্তর: প্রাচীনতম খনিজ তেল উত্তোলন কেন্দ্র হলো আসামের ডিগবয় (১৮৮৯) এবং বৃহত্তম খনিজ তেল উত্তোলন কেন্দ্র হলো আরব সাগরের ‘মুম্বাই হাই’ (Mumbai High — সাগর সম্রাট)।

২৯. প্রশ্ন: ঝাড়খণ্ডের ‘যাদুগোড়া’ খনি কোন তেজস্ক্রিয় খনিজ উত্তোলনের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: ইউরেনিয়াম উত্তোলনের জন্য বিখ্যাত (এবং কেরালার মালাবার উপকূলের মোনাজাইট বালি থোরিয়াম-এর জন্য বিখ্যাত)।

৩০. প্রশ্ন: ভারতে ‘সবুজ বিপ্লব’ (Green Revolution)-এর জনক কাকে বলা হয় এবং কোন ফসলের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছিল?

উত্তর: ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক হলেন কৃষিবিজ্ঞানী ড. এম. এস. স্বামীনাথন (বিশ্বে সবুজ বিপ্লবের জনক নরম্যান বোরলগ)। ১৯৬০-এর দশকের শেষে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে গম (এবং পরবর্তীকালে ধান) চাষে এর সর্বাধিক সাফল্য দেখা যায়।

৩১. প্রশ্ন: ভারতে ‘শ্বেত বিপ্লব’ (White Revolution / Operation Flood) কিসের সাথে যুক্ত এবং এর জনক কে?

উত্তর: দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে যুক্ত এবং এর জনক হলেন ড. ভার্গিস কুরিয়েন (আনন্দ মিল্ক ইউনিয়ন বা AMUL-এর প্রতিষ্ঠাতা)।

৩২. প্রশ্ন: ‘শস্য সমন্বয়’ (Crop Combination) তত্ত্বটি সর্বপ্রথম কে প্রবর্তন করেন?

উত্তর: ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে মার্কিন কৃষি-ভূগোলবিদ জন সি. উইভার (John C. Weaver)।

৩৩. প্রশ্ন: ভারতের ‘সোনালি চতুর্ভুজ’ (Golden Quadrilateral) সড়ক প্রকল্পটি কোন চারটি মহানগরকে যুক্ত করেছে?

উত্তর: দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই এবং কলকাতা—এই চারটি মহানগরকে ৬ লেনের দ্রুতগতির জাতীয় সড়ক দ্বারা যুক্ত করেছে (মোট দৈর্ঘ্য ৫,৮৪৬ কিমি)।

৩৪. প্রশ্ন: ভারতের দীর্ঘতম জাতীয় সড়ক (National Highway) এবং দীর্ঘতম জাতীয় জলপথ (National Waterway) কোনটি?

উত্তর: দীর্ঘতম জাতীয় সড়ক হলো NH-44 (শ্রীনগর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত) এবং দীর্ঘতম জাতীয় জলপথ হলো NW-1 (গঙ্গা-ভাগীরথী-হুগলি নদীপথে প্রয়াগরাজ বা এলাহাবাদ থেকে হলদিয়া পর্যন্ত — ১,৬২০ কিমি)।

৩৫. প্রশ্ন: ভারতের একমাত্র শুল্কমুক্ত বন্দর (তথা জোয়ার-ভাটা নির্ভর বন্দর) এবং ভারতের গভীরতম স্বাভাবিক বন্দর কোনটি?

উত্তর: গুজরাটের কান্দালা (দীনদয়াল বন্দর) হলো শুল্কমুক্ত বন্দর এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম হলো ভারতের গভীরতম স্থলবেষ্টিত স্বাভাবিক বন্দর।

প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক

উচ্চমাধ্যমিক ৩য় ও ৪র্থ সেমিস্টার সমস্ত বিষয়ের সাজেশন ও পিডিএফ বুক ডাউনলোড:

উচ্চমাধ্যমিক 3য় সেমিস্টার ভূগোল সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রশ্ন ১: উচ্চমাধ্যমিক 3য় সেমিস্টার ভূগোল পরীক্ষায় মোট কত নম্বরের MCQ প্রশ্ন থাকে?

উত্তর: দ্বাদশ শ্রেণির ৩য় সেমিস্টার ভূগোল পরীক্ষায় মোট ৩৫ নম্বরের বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (৩৫টি MCQ) থাকে এবং ওএমআর শিটে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিটে উত্তর দিতে হয়। (বাকি ১৫ নম্বর প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় থাকে)।

প্রশ্ন ২: ৩য় সেমিস্টার ভূগোলে প্রাকৃতিক, মানবীয় ও ভারতের ভূগোল থেকে কত নম্বর করে থাকে?

উত্তর: প্রাকৃতিক ভূগোল থেকে ১৫ নম্বর, মানবীয় ভূগোল (জনসংখ্যা ও জনবসতি) থেকে ১০ নম্বর এবং ভারতের ভূগোল থেকে ১০ নম্বর—মোট ৩৫ নম্বর থাকে।

প্রশ্ন ৩: প্রাকৃতিক ভূগোলের কার্স্ট ভূমিরূপ অংশ থেকে কোন প্রশ্নগুলি সবচেয়ে বেশি আসে?

উত্তর: কার্বোনেশন প্রক্রিয়া, টেরা রোসা, সিঙ্ক হোল, ডোলাইন, পোলজে এবং গুহার অভ্যন্তরে সৃষ্ট স্ট্যালাকটাইট ও স্ট্যালাগমাইট থেকে প্রতি বছর ২–৩টি MCQ প্রশ্ন আসে।

প্রশ্ন ৪: মানবীয় ভূগোলে গ্রামীণ বসতির নকশা থেকে কী ধরনের প্রশ্ন আসে?

উত্তর: রৈখিক বসতি, আর্দ্র বিন্দু বসতি, শুষ্ক বিন্দু বসতি এবং নক্ষত্রাকৃতি বা চৌকো বসতির উদাহরণ ও চিত্রভিত্তিক প্রশ্ন আসে।

প্রশ্ন ৫: উচ্চমাধ্যমিক ৩য় সেমিস্টার ভূগোলের সম্পূর্ণ পিডিএফ নোটবুক কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: আমাদের ওয়েবসাইট wbbsenote.in এবং পিডিএফ বুক স্টোর books.wbbsenote.in/product/wbchse-class-12-semester-3-geography-notebook/ থেকে তৃতীয় সেমিস্টারের সম্পূর্ণ ভূগোল নোটবুক পিডিএফ সংগ্রহ করতে পারবে।

অর্পিতা মণ্ডল (Arpita Mondal) ✓
👨🏫 ভূগোল শিক্ষিকা (Geography) • Class 6–12 ⭐ ৯+ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা
অর্পিতা মণ্ডল (Arpita Mondal)
🎓 M.Sc. (Geography), B.Ed., WBSSC SLST Qualified
অর্পিতা মণ্ডল ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ভূগোল বিষয়ের শিক্ষিকা। প্রাকৃতিক ও ভারতের ভূগোল, ম্যাপ পয়েন্টিং এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সেমিস্টার ভিত্তিক MCQ ও রচনামূলক প্রশ্নোত্তর তিনি সহজ ভাষায় প্রস্তুত করেন।

💬 কোনো প্রশ্ন বা বিশেষ অধ্যায়ের PDF লাগবে? নিচে কমেন্ট করো (Ask a Doubt)

এই অধ্যায় থেকে কোনো প্রশ্ন থাকলে বা অন্য কোনো বিষয়ের সাজেশন ও PDF নোটস লাগলে নিচে বাংলা বা ইংরেজিতে কমেন্ট করে জানাও, আমাদের শিক্ষক টিম দ্রুত উত্তর দেবে!