WBBSE & WBCHSE পর্ষদ (Class 5–12): সম্পূর্ণ ফ্রি বাংলা নোটস, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর PDF
WBBSE NOTE Logo
WBBSE NOTE
WBBSE & WBCHSE Portal • Class 5–12
মেনু
Logo WBBSE NOTE
Class 5 to 12 • WBBSE & WBCHSE Menu
✕

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Political Science Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (১ম থেকে ৬ষ্ঠ অধ্যায় SAQ ও LAQ)

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Political Science Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (১ম থেকে ৬ষ্ঠ অধ্যায় SAQ ও LAQ)

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)-এর নতুন সেমিস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশ শ্রেণির (Class 12 / HS) চূড়ান্ত লিখিত বোর্ড পরীক্ষা হলো ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত ৪র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষা (Semester 4 Political Science — ৪০ নম্বরের সংক্ষিপ্ত ও রচনামূলক বা SAQ ও LAQ পরীক্ষা)। সংসদের নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী আমাদের এই উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন (দ্বাদশ শ্রেণি চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পূর্ণ সাজেশন ও WBCHSE Class 12 Political Science Semester 4 Suggestion PDF) আর্টিকেলে আমরা ৪র্থ সেমিস্টারের ৬টি ইউনিট—আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক দর্শন (৮ নম্বর), প্রধান আঞ্চলিক সংস্থা EU, SAARC ও ASEAN (৬ নম্বর), বিশ্বায়ন বা Globalisation (৬ নম্বর), ভারত সরকারের শাসন, আইন ও বিচার বিভাগ (৮ নম্বর), সমকালীন ভারতের নাগরিক সমাজের আন্দোলন (৬ নম্বর) এবং সংবিধান সংশোধন ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন (৬ নম্বর)—থেকে বাছাই করা সংক্ষিপ্ত ও বড়ো প্রশ্নের সম্পূর্ণ উত্তর সাজিয়ে দিয়েছি।

📑 এক নজরে এই নোটের সূচিপত্র (Table of Contents)
  1. উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন 2027 (২০২৭) | WBCHSE Class 12 Political Science Semester 4 Suggestion PDF প্রশ্ন উত্তর (১ম থেকে ৬ষ্ঠ অধ্যায় SAQ ও LAQ)
  2. উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান নতুন সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (WBCHSE Class 12 Semester 4 Political Science Syllabus & Blueprint)
  3. ১. ইউনিট ১, ২ ও ৩: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সংস্থা (EU, SAARC, ASEAN) ও বিশ্বায়ন — বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (২০ নম্বর নিশ্চিত)
  4. প্রশ্ন ১: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বলতে কী বোঝায়? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বাস্তববাদী তত্ত্বের (Realism — হ্যান্স মর্গেনথাউ) মূল বৈশিষ্ট্য লেখো। (৬/৮ নম্বর)
  5. প্রশ্ন ২: ‘সার্ক’ (SAARC) এবং ‘আসিয়ান’ (ASEAN) কবে গঠিত হয়? সার্ক গঠনের মূল উদ্দেশ্য, সাফল্য এবং সীমাবদ্ধতা বা সমস্যাসমূহ আলোচনা করো। (৬ নম্বর)
  6. প্রশ্ন ৩: বিশ্বায়ন (Globalisation) কাকে বলে? ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের ওপর বিশ্বায়নের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করো। (৬ নম্বর)
  7. ২. ইউনিট ৪: ভারত সরকারের বিভিন্ন বিভাগসমূহ (শাসন, আইন ও বিচার বিভাগ) — বড়ো প্রশ্ন ও উত্তর (৮ নম্বর নিশ্চিত)
  8. প্রশ্ন ৪: ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও পদমর্যাদা বিশ্লেষণ করো। অথবা ভারতের রাষ্ট্রপতির জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত ক্ষমতাগুলি আলোচনা করো। (৬/৮ নম্বর)
  9. প্রশ্ন ৫: ভারতীয় সংসদের দুটি কক্ষ—লোকসভা ও রাজ্যসভার পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা করো এবং লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকারের (Speaker) ক্ষমতা ও ভূমিকা লেখো। (৬/৮ নম্বর)
  10. প্রশ্ন ৬: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের গঠন ও এলাকা (Jurisdiction) আলোচনা করো এবং ‘জনস্বার্থ মামলা’ (PIL) ও ‘ক্রেতা সুরক্ষা আদালত’ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। (৬/৮ নম্বর)
  11. ৩. ইউনিট ৫ ও ৬: নাগরিক সমাজের আন্দোলন, সংবিধান সংশোধন (ধারা ৩৬৮) এবং ৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনী (১২ নম্বর নিশ্চিত)
  12. প্রশ্ন ৭: ভারতে পরিবেশ ও মানবাধিকার রক্ষায় ‘চিপকো আন্দোলন’ এবং ‘নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন’-এর ভূমিকা আলোচনা করো। (৬ নম্বর)
  13. প্রশ্ন ৮: ভারতীয় সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি বর্ণনা করো এবং ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী আইনের (পঞ্চায়েত ও পৌরসভা) মূল বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। (৬ নম্বর)
  14. প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক (Internal Linking Box)
  15. উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

চতুর্থ সেমিস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সম্পূর্ণ নোটবুক পিডিএফ সংগ্রহ করতে আমাদের সাইটের WBCHSE Class 12 Semester 4 Political Science PDF Book Download, বুক স্টোর দ্বাদশ শ্রেণীর চতুর্থ সেমিস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞান নোট বই PDF এবং Semester 4 Political Science PDF Book দেখে নিতে পারো।

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান নতুন সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন (WBCHSE Class 12 Semester 4 Political Science Syllabus & Blueprint)

দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানে (পূর্ণমান: ৪০, সময়: ২ ঘণ্টা) মোট ৬টি অধ্যায়/ইউনিট রয়েছে এবং কোন ইউনিট থেকে কত নম্বরের প্রশ্ন আসবে, তার অফিশিয়াল ছক নিচে দেওয়া হলো:

ইউনিট ও অধ্যায় (Syllabus Unit) নির্ধারিত পাঠ্য বিষয়বস্তু (Prescribed Topics — Class 12 Pol Science Semester 4) প্রশ্নের ধরন (SAQ & Descriptive LAQ) নির্ধারিত নম্বর
ইউনিট ১ (Unit 1) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক: মৌলিক ধারণা ও রাজনৈতিক নীতি (বাস্তববাদ, আদর্শবাদ, উদারনীতিবাদ ও মার্কসবাদ) সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ৮ নম্বর
ইউনিট ২ (Unit 2) প্রধান আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সংস্থাসমূহ (ইউরোপীয় ইউনিয়ন – EU, সার্ক – SAARC, আসিয়ান – ASEAN) সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ৬ নম্বর
ইউনিট ৩ (Unit 3) বিশ্বায়ন (Globalisation) (সংজ্ঞা, প্রকৃতি এবং অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব) সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ৬ নম্বর
ইউনিট ৪ (Unit 4) ভারত সরকারের বিভিন্ন বিভাগসমূহ (রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, সংসদ, স্পিকার, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, PIL ও ক্রেতা আদালত) সংক্ষিপ্ত ও বড়ো রচনাধর্মী প্রশ্ন ৮ নম্বর
ইউনিট ৫ (Unit 5) সমকালীন ভারতে নাগরিক সমাজের আন্দোলনসমূহ (সিভিল সোসাইটি, চিপকো আন্দোলন ও নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন) সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ৬ নম্বর
ইউনিট ৬ (Unit 6) সংবিধান সংশোধন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন (ধারা ৩৬৮ এবং ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী: পঞ্চায়েত ও পৌরসভা) সংক্ষিপ্ত ও রচনাধর্মী প্রশ্ন ৬ নম্বর
সর্বমোট (Total Marks) বর্ণনামূলক লিখিত পরীক্ষা (Descriptive SAQ + LAQ) পূর্ণমান: ৪০ নম্বর ৪০ নম্বর

১. ইউনিট ১, ২ ও ৩: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সংস্থা (EU, SAARC, ASEAN) ও বিশ্বায়ন — বড়ো প্রশ্ন ও আদর্শ উত্তর (২০ নম্বর নিশ্চিত)

প্রশ্ন ১: আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বলতে কী বোঝায়? আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বাস্তববাদী তত্ত্বের (Realism — হ্যান্স মর্গেনথাউ) মূল বৈশিষ্ট্য লেখো। (৬/৮ নম্বর)

উত্তর:

১. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংজ্ঞা: অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে ইংরেজ দার্শনিক জেরেমি বেন্থাম সর্বপ্রথম ‘International’ শব্দটি ব্যবহার করেন। অধ্যাপক হ্যান্স মর্গেনথাউ, পামার ও পারকিন্সের মতে, বিভিন্ন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ক, পররাষ্ট্রনীতি, যুদ্ধ ও শান্তি এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সামগ্রিক আলোচনাকেই ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক’ (International Relations) বলে।

২. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির পার্থক্য: প্রথমত, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরিধি অত্যন্ত ব্যাপক ও বিস্তৃত; কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিধি তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি কেবল সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে; কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রাজনৈতিক বিষয়ের পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, পরিবেশগত, মানবাধিকার ও অ-রাষ্ট্রীয় সংস্থা (NGO, MNC) নিয়েও আলোচনা করে।

৩. মর্গেনথাউ-এর বাস্তববাদী তত্ত্বের (Realism) মূল বৈশিষ্ট্য: হ্যান্স জে. মর্গেনথাউ তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘Politics Among Nations’ (১৯৪৮)-এ বাস্তববাদী তত্ত্বের ৬টি নীতি ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে—আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূল চাবিকাঠি হলো ‘ক্ষমতার নিরিখে সংজ্ঞায়িত জাতীয় স্বার্থ’ (National Interest defined in terms of Power)। মানুষের স্বভাবগত ক্ষমতা-লিপ্সা থেকেই রাষ্ট্রগুলি নিজের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করতে চায় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘শক্তির ভারসাম্য’ (Balance of Power) বজায় রাখাই শান্তির প্রধান উপায়।

প্রশ্ন ২: ‘সার্ক’ (SAARC) এবং ‘আসিয়ান’ (ASEAN) কবে গঠিত হয়? সার্ক গঠনের মূল উদ্দেশ্য, সাফল্য এবং সীমাবদ্ধতা বা সমস্যাসমূহ আলোচনা করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. প্রতিষ্ঠা ও সদস্য রাষ্ট্র: বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দের ৭–৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ‘সার্ক’ (SAARC — South Asian Association for Regional Cooperation) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। এর মোট সদস্য রাষ্ট্র ৮টি—ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ এবং আফগানিস্তান (২০০৭ সালে ৮ম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়)। অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংস্থা ‘আসিয়ান’ (ASEAN) ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে গঠিত হয় (সদর দপ্তর: জাকার্তা)।

২. সার্ক গঠনের মূল উদ্দেশ্য (সনদের ১ নং ধারা): দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা; এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক প্রগতি ও সাংস্কৃতিক বিকাশ ত্বরান্বিত করা; দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে যৌথ আত্মনির্ভরতা বৃদ্ধি করা এবং মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (SAFTA — South Asian Free Trade Area, ২০০৬) গড়ে তোলা।

৩. সার্কের প্রধান সীমাবদ্ধতা বা ব্যর্থতার কারণ: প্রথমত, সার্কের দুই বৃহৎ সদস্য রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর সমস্যা ও সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক বিরোধ সার্কের অগ্রগতির প্রধান বাধা। দ্বিতীয়ত, ভারতের বিশাল ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক আকারের কারণে ক্ষুদ্র প্রতিবেশী দেশগুলির মনে অহেতুক ‘বড়ো দাদা সুলভ’ ভীতি এবং এই অঞ্চলের দেশগুলির পরস্পরের সাথে বাণিজ্যের স্বল্পতা সার্ককে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা আসিয়ানের মতো সফল হতে দেয়নি।

প্রশ্ন ৩: বিশ্বায়ন (Globalisation) কাকে বলে? ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের ওপর বিশ্বায়নের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. বিশ্বায়নের সংজ্ঞা: বিশ্বায়ন হলো এমন এক বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, সমাজ, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় সীমানার বাধা অতিক্রম করে পরস্পরের সাথে অবাধ প্রবাহের সূত্রে আবদ্ধ হয় এবং সমগ্র পৃথিবী একটি ‘বিশ্বগ্রামে’ (Global Village) পরিণত হয়।

২. অর্থনৈতিক প্রভাব: ১৯৯১ সালে ভারতে উদারীকরণ, বেসরকারিকরণ ও বিশ্বায়ন (LPG Model) গৃহীত হওয়ার পর বিদেশি বিনিয়োগ (FDI), তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ও বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এর নেতিবাচক দিক হলো বহুজাতিক সংস্থার (MNC) দাপটে দেশীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সংকট এবং ধনী-দরিদ্রের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্য।

৩. রাজনৈতিক প্রভাব: বিশ্বায়নের ফলে জাতি-রাষ্ট্রের (Nation-State) চিরায়ত সার্বভৌম ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। IMF, বিশ্বব্যাংক ও WTO-র শর্তাবলি মেনে রাষ্ট্রকে জনকল্যাণমূলক ভর্তুকি কমাতে হচ্ছে, ফলে ‘কল্যাণকর রাষ্ট্র’ ক্রমশ ‘ন্যূনতম রাষ্ট্রে’ পরিণত হচ্ছে।

৪. সাংস্কৃতিক প্রভাব: তথ্যের অবাধ প্রবাহের ফলে একদিকে যেমন বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গির প্রসার ঘটেছে, অন্যদিকে পাশ্চাত্য ভোগবাদী সংস্কৃতির (‘ম্যাকডোনাল্ডাইজেশন’) চাপে ভারতের নিজস্ব লোকসংস্কৃতি, ভাষা ও যৌথ পরিবারের ঐতিহ্য সংকটের মুখে পড়েছে।

২. ইউনিট ৪: ভারত সরকারের বিভিন্ন বিভাগসমূহ (শাসন, আইন ও বিচার বিভাগ) — বড়ো প্রশ্ন ও উত্তর (৮ নম্বর নিশ্চিত)

প্রশ্ন ৪: ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও পদমর্যাদা বিশ্লেষণ করো। অথবা ভারতের রাষ্ট্রপতির জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত ক্ষমতাগুলি আলোচনা করো। (৬/৮ নম্বর)

উত্তর:

১. ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক অবস্থান: ভারতীয় সংবিধানের ৭৪(১) নং ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর কাজে সাহায্য ও পরামর্শদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা থাকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন ‘নিয়মতান্ত্রিক শাসক’ (Nominal Executive), আর প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতের ‘প্রকৃত শাসক’ (Real Executive)।

২. প্রধানমন্ত্রীর প্রধান ক্ষমতা ও কার্যাবলি: প্রথমত, মন্ত্রিসভা গঠন ও পরিচালনা—প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ ও পদচ্যুত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী ক্যাবিনেট সভার সভাপতিত্ব করেন। দ্বিতীয়ত, লোকসভার নেতা—প্রধানমন্ত্রী হলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা এবং সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও সরকারি বিল পাসের মূল চালিকাশক্তি। তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার যোগসূত্র (ধারা ৭৮)—মন্ত্রিসভার সমস্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে জানান। চতুর্থত, পররাষ্ট্রনীতি ও নীতি আয়োগের সভাপতি—আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা এবং ‘নীতি আয়োগ’ (NITI Aayog) ও জাতীয় উন্নয়ন পরিষদের সভাপতিত্ব করা প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম কাজ। তাই লর্ড মর্লি প্রধানমন্ত্রীকে ‘সমপর্যায়ভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অগ্রগণ্য’ (Primus Inter Pares) বলেছেন।

প্রশ্ন ৫: ভারতীয় সংসদের দুটি কক্ষ—লোকসভা ও রাজ্যসভার পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা করো এবং লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকারের (Speaker) ক্ষমতা ও ভূমিকা লেখো। (৬/৮ নম্বর)

উত্তর:

১. লোকসভা ও রাজ্যসভার সম্পর্ক: ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ হলো ‘লোকসভা’ (সর্বোচ্চ সদস্য ৫৫০, বর্তমান নির্বাচিত ৫৪৩) এবং উচ্চকক্ষ হলো ‘রাজ্যসভা’ (সর্বোচ্চ সদস্য ২৫০, বর্তমান ২৪৫)। সাধারণ বিল পাসের ক্ষেত্রে এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে (ধারা ৩৬৮) উভয় কক্ষের ক্ষমতা সমান (সাধারণ বিলে মতবিরোধ হলে ১০৮ নং ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যৌথ অধিবেশন ডাকেন)। কিন্তু অর্থবিলের (Money Bill — ধারা ১১০) ক্ষেত্রে লোকসভার একচেটিয়া প্রাধান্য রয়েছে—অর্থবিল কেবল লোকসভাতেই উত্থাপন করা যায় এবং রাজ্যসভা অর্থবিল মাত্র ১৪ দিন আটকে রাখতে পারে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা কেবল লোকসভার কাছেই যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকে (ধারা ৭৫/৩)।

২. লোকসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকারের ভূমিকা: সংবিধানের ৯৩ নং ধারা অনুযায়ী লোকসভার সদস্যরা নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে অধ্যক্ষ (Speaker) নির্বাচন করেন। স্পিকার লোকসভার অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখেন; কোনো বিল ‘অর্থবিল’ কি না সে বিষয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত; এবং কক্ষে পক্ষে-বিপক্ষে সমান ভোট পড়লে স্পিকার তাঁর ‘নির্ণায়ক ভোট’ (Casting Vote) প্রদান করেন।

প্রশ্ন ৬: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের গঠন ও এলাকা (Jurisdiction) আলোচনা করো এবং ‘জনস্বার্থ মামলা’ (PIL) ও ‘ক্রেতা সুরক্ষা আদালত’ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। (৬/৮ নম্বর)

উত্তর:

১. সুপ্রিম কোর্টের গঠন ও চারটি এলাকা: ভারতীয় সংবিধানের ১২৪ নং ধারা অনুযায়ী ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট ১ জন প্রধান বিচারপতি ও ৩৩ জন অন্যান্য বিচারপতি (মোট ৩৪ জন) নিয়ে গঠিত। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত পদে থাকেন। সুপ্রিম কোর্টের চারটি এলাকা হলো—(ক) মূল এলাকা (Original Jurisdiction — ধারা ১৩১): কেন্দ্র ও রাজ্যের বা আন্তঃরাজ্য বিরোধের নিষ্পত্তি; (খ) আপিল এলাকা (Appellate Jurisdiction): হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দেওয়ানি, ফৌজদারি ও সাংবিধানিক আপিল শ্রবণ; (গ) পরামর্শদান এলাকা (Advisory Jurisdiction — ধারা ১৪৩): রাষ্ট্রপতি কোনো আইনগত বিষয়ে পরামর্শ চাইলে তা প্রদান করা; এবং (ঘ) লেখ জারি ও অভিলেখ আদালত (Court of Record — ধারা ৩২ ও ১২৯): মৌলিক অধিকার রক্ষায় ৫টি লেখ (বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ, পরমাদেশ, প্রতিষেধ, অধিকার পৃচ্ছা ও উৎপ্রেষণ) জারি করা।

২. জনস্বার্থ মামলা (Public Interest Litigation – PIL): ১৯৮০-র দশকে বিচারপতি পি. এন. ভগবতী ও ভি. আর. কৃষ্ণ আয়ারের উদ্যোগে ভারতে জনস্বার্থ মামলার সূচনা হয়। সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের মৌলিক অধিকার বা জনস্বার্থ লঙ্ঘিত হলে যেকোনো সচেতন নাগরিক বা সংস্থা সরাসরি সুপ্রিম কোর্ট (ধারা ৩২) বা হাইকোর্টে (ধারা ২২৬) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারেন।

৩. ইউনিট ৫ ও ৬: নাগরিক সমাজের আন্দোলন, সংবিধান সংশোধন (ধারা ৩৬৮) এবং ৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনী (১২ নম্বর নিশ্চিত)

প্রশ্ন ৭: ভারতে পরিবেশ ও মানবাধিকার রক্ষায় ‘চিপকো আন্দোলন’ এবং ‘নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন’-এর ভূমিকা আলোচনা করো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. চিপকো আন্দোলন (Chipko Movement – ১৯৭৩): ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান উত্তরাখণ্ডের (তৎকালীন উত্তরপ্রদেশের) গাড়োয়াল হিমালয়ের চামোলি জেলার মণ্ডল ও রেণি গ্রামে অরণ্য ধ্বংসের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক পরিবেশ আন্দোলনের সূচনা হয়। ‘চিপকো’ শব্দের অর্থ ‘জড়িয়ে ধরা’। ঠিকাদারদের কুড়ালের হাত থেকে গাছ বাঁচাতে গ্রামের আদিবাসী মহিলারা (গৌরা দেবী-র নেতৃত্বে) গাছগুলিকে বুকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়েছিলেন। গান্ধিবাদী পরিবেশবিদ সুন্দরলাল বহুগুণা এবং চণ্ডীপ্রসাদ ভাট এই আন্দোলনের প্রধান নেতা ছিলেন। এর ফলে সরকার হিমালয় অঞ্চলে ১৫ বছরের জন্য বাণিজ্যিক গাছ কাটা নিষিদ্ধ করে।

২. নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন (Narmada Bachao Andolan – ১৯৮৫): গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নর্মদা নদীর ওপর ‘সর্দার সরোবর বাঁধ’ ও ৩০টি বড়ো বাঁধ নির্মাণের ফলে লক্ষাধিক আদিবাসী ও কৃষকের উচ্ছেদ এবং বিশাল বনাঞ্চল জলের তলায় ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় ১৯৮৫ সালে এই গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। সমাজকর্মী মেধা পাটকর, বাবা আমতে এবং লেখিকা অরুন্ধতী রায় এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। এই আন্দোলন ভারতে বড়ো বাঁধের পরিবেশগত প্রভাব ও উচ্ছেদ হওয়া মানুষের পুনর্বাসনের অধিকারকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত নিয়ে যায়।

প্রশ্ন ৮: ভারতীয় সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারা অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি বর্ণনা করো এবং ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী আইনের (পঞ্চায়েত ও পৌরসভা) মূল বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো। (৬ নম্বর)

উত্তর:

১. সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি (ধারা ৩৬৮): ভারতীয় সংবিধানের বিংশতিতম অংশে ৩৬৮ নং ধারায় সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি বর্ণিত আছে (দক্ষিণ আফ্রিকার সংবিধানের অনুকরণে)। সাধারণ আইনের মাধ্যমে সংশোধন ছাড়া ৩৬৮ ধারায় দুটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে—প্রথমত, সংসদের উভয় কক্ষের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ (2/3) বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংশোধন (যেমন: মৌলিক অধিকার ও নির্দেশমূলক নীতি সংশোধন); এবং দ্বিতীয়ত, সংসদের বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সাথে অন্তত অর্ধেক অঙ্গরাজ্যের বিধানসভার অনুমোদনের মাধ্যমে সংশোধন (যেমন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি, সুপ্রিম কোর্ট ও কেন্দ্র-রাজ্য ক্ষমতা বণ্টন)।

২. ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী আইন (১৯৯২): ১৯৯২ সালে (১৯৯৩ সালে কার্যকর) ৭৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে একাদশ তফসিল (২৯টি বিষয়) যুক্ত করে গ্রামীণ ভারতে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) এবং ৭৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে দ্বাদশ তফসিল (১৮টি বিষয়) যুক্ত করে শহরাঞ্চলে পৌর স্বায়ত্তশাসন (নগর পঞ্চায়েত, পৌরসভা ও পৌর নিগম বা কর্পোরেশন)-কে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়া হয়। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো—প্রতি ৫ বছর অন্তর রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সরাসরি নির্বাচন, মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ (বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ৫০%) আসন সংরক্ষণ, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য আসন সংরক্ষণ এবং প্রতি ৫ বছর অন্তর রাজ্য অর্থ কমিশন গঠন।

প্রয়োজনীয় স্টাডি মেটেরিয়াল ও পিডিএফ বুক স্টোর লিঙ্ক (Internal Linking Box)

উচ্চমাধ্যমিক ৩য় ও ৪র্থ সেমিস্টার সমস্ত বিষয়ের সাজেশন ও পিডিএফ বুক ডাউনলোড:

উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQs)

প্রশ্ন ১: উচ্চমাধ্যমিক 4র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষায় কোন দুটি ইউনিট থেকে সবচেয়ে বেশি নম্বরের প্রশ্ন আসে?

উত্তর: দ্বাদশ শ্রেণির ৪র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ইউনিট ১ (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক দর্শন — ৮ নম্বর) এবং ইউনিট ৪ (ভারত সরকারের শাসন, আইন ও বিচার বিভাগ — ৮ নম্বর) থেকে সবচেয়ে বেশি নম্বরের প্রশ্ন আসে।

প্রশ্ন ২: ৪র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বাকি চারটি ইউনিটে কত নম্বর করে বরাদ্দ রয়েছে?

উত্তর: ইউনিট ২ (প্রধান আঞ্চলিক সংস্থা: EU, SAARC, ASEAN), ইউনিট ৩ (বিশ্বায়ন), ইউনিট ৫ (নাগরিক সমাজের আন্দোলন: চিপকো ও নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন) এবং ইউনিট ৬ (সংবিধান সংশোধন ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন)—এই চারটি ইউনিটের প্রতিটিতেই ৬ নম্বর করে (মোট 8 + 6 + 6 + 8 + 6 + 6 = 40 নম্বর) বরাদ্দ রয়েছে।

প্রশ্ন ৩: ভারত সরকারের বিভাগসমূহ (ইউনিট ৪) থেকে বড়ো প্রশ্নের জন্য কোন টপিকগুলি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও পদমর্যাদা, রাষ্ট্রপতির জরুরি ক্ষমতা, লোকসভার অধ্যক্ষের (Speaker) ভূমিকা এবং সুপ্রিম কোর্টের গঠন ও এলাকা (PIL-সহ)—এই চারটি প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন ৪: স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন অংশ থেকে ৭৩তম ও ৭৪তম সংবিধান সংশোধনী কেন গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: ১৯৯২ সালের ৭৩তম সংশোধনী (গ্রামীণ ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা) এবং ৭৪তম সংশোধনী (শহরাঞ্চলের পৌরসভা ও কর্পোরেশন) থেকে প্রতি বছর অন্তত ১টি সংক্ষিপ্ত ও ১টি বড়ো প্রশ্ন পরীক্ষায় নিশ্চিত আসে।

প্রশ্ন ৫: উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সম্পূর্ণ উত্তরসহ পিডিএফ বই কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তর: আমাদের ওয়েবসাইট wbbsenote.in, সেমিস্টার স্টোর semester.wbbsenote.in/product/wbchse-class-12-semester-4-political-science-pdf-book/ এবং books.wbbsenote.in থেকে চতুর্থ সেমিস্টারের সম্পূর্ণ রাষ্ট্রবিজ্ঞান নোটবুক পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারবে।

কৌশিক চক্রবর্তী (Koushik Chakraborty) ✓
👨🏫 রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিক্ষক (Political Science) • WBCHSE HS ⭐ ১০+ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা
কৌশিক চক্রবর্তী (Koushik Chakraborty)
🎓 M.A. (Political Science), B.Ed., WBSET Qualified
কৌশিক চক্রবর্তী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির রাষ্ট্রবিজ্ঞান (Political Science) বিষয়ের একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক। ভারতের সংবিধান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সেমিস্টার ১–৪ এর প্রশ্নোত্তর ও সাজেশন তিনি সহজ বাংলায় প্রস্তুত করেন।

💬 কোনো প্রশ্ন বা বিশেষ অধ্যায়ের PDF লাগবে? নিচে কমেন্ট করো (Ask a Doubt)

এই অধ্যায় থেকে কোনো প্রশ্ন থাকলে বা অন্য কোনো বিষয়ের সাজেশন ও PDF নোটস লাগলে নিচে বাংলা বা ইংরেজিতে কমেন্ট করে জানাও, আমাদের শিক্ষক টিম দ্রুত উত্তর দেবে!