পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 6 পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় | WBBSE Class 6 Paribesh O Bigyan Chapter 1 Question Answer
আজকে আমরা আলোচনা করবো তোমাদের ষষ্ঠ ক্লাসের পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়টির প্রথম অধ্যায় পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা সম্পর্কে । এই প্রথম অধ্যায়টি তোমাদের পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই প্রথম অধ্যায় এর পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। আমরা এই লিখাটির মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণীর প্রথম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, এই “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” অধ্যায়ের সাজেশন , কিকরে এই অধ্যায় থেকে উত্তর লিখতে হয়। ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা অধ্যায় থেকে কিভাবে পড়বে সবকিছুই আলোচনা করবো।
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর : “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” (প্রথম অধ্যায় ক্লাস 6) West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan : ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan নিচে দেওয়া হলো। এই ষষ্ঠ শ্রেণীর গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – WBBSE Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer, Suggestion, Notes PDF and Free Download Books Class 6 WBBSE – “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” (Class 6 প্রথম অধ্যায়) থেকে বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর (MCQ, Very Short, Short, Descriptive Question and Answer, Free PDF note and download) গুলি আগামী West Bengal Class 6th Six VI Poribesh O Biggan Examination এর জন্য ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ – এই অধ্যায়টি পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট এবং ভীষণভাবে উপযোগী ।
MCQ প্রশ্ন ও উত্তর পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়)
প্রশ্নঃ – আমরা শ্বাসক্রিয়ার সময় বাতাস থেকে কোন্ গ্যাস গ্রহণ করি?
(i) কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)
(ii) অক্সিজেন (O₂)
(iii) নাইট্রোজেন (N₂)
(iv) হাইড্রোজেন
উত্তর: অক্সিজেন (O₂)
প্রশ্নঃ – উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করার সময় পরিবেশে কোন্ গ্যাস ত্যাগ করে?
(i) কার্বন ডাইঅক্সাইড
(ii) অক্সিজেন
(iii) নাইট্রোজেন
(iv) হাইড্রোজেন
উত্তর: অক্সিজেন
প্রশ্নঃ – পরাগমিলনের সময় পরাগরেণু সেই ফুলের কোন্ অংশে এসে পড়ে?
(i) গর্ভমুণ্ডে
(ii) গর্ভাশয়ে
(iii) গর্ভদণ্ডে
(iv) কোনোটিই নয়
উত্তর: গর্ভমুণ্ড
প্রশ্নঃ – কোন্ ভিটামিন হাড়কে মজবুত করে এবং রিকেট রোগ প্রতিরোধ করে?
(i) ভিটামিন-A
(ii) ভিটামিন-C
(iii) ভিটামিন-D
(iv) ভিটামিন-B
উত্তর: (iii) ভিটামিন-D
প্রশ্নঃ – দই-তে যে-জৈব অ্যাসিডটি পাওয়া যায়, তা হল-
(i) পাইরুভিক অ্যাসিড
(ii) ল্যাকটিক অ্যাসিড
(iii) সাইট্রিক অ্যাসিড
(iv) পামিটিক অ্যাসিড
উত্তর: ল্যাকটিক অ্যাসিড
প্রশ্নঃ – পাউরুটিকে ফুলে-ফেঁপে উঠতে সাহায্য করে-
(i) অক্সিজেন
(ii) কার্বন ডাইঅক্সাইড
(iii) জলীয় বাষ্প
(iv) সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর: কার্বন ডাইঅক্সাইড
প্রশ্নঃ – যখন দুটি জীব পারস্পরিক সাহচর্যে বেঁচে থাকে, তাকে বলে-
(i) পরজীবিতা
(ii) সহজীবিতা
(i) মিথোজীবিতা
(ii) মৃতজীবিতা
উত্তর: মিথোজীবিতা
প্রশ্নঃ – মানুষের মাথায় বসবাসকারী একটি পরজীবী প্রাণী হল-
(i) উকুন
(ii) এঁটুলি
(iii) ফিতাকৃমি
(iv) মোনেরা
উত্তর: উকুন
প্রশ্নঃ – কোন্ প্রকার মৌমাছি মধু তৈরিতে অংশগ্রহণ করে?
(i) রানি মৌমাছি
(ii) পুরুষ মৌমাছি
(iii) শ্রমিক মৌমাছি
(iv) মধুমক্ষিকা
উত্তর: শ্রমিক মৌমাছি
প্রশ্নঃ – মানুষের একটি অন্তঃপরজীবী হল-
(i) এঁটুলি
(ii) ফিতাকৃমি
(iii) উকুন
(iv) মোনেরা
উত্তর: ফিতাকৃমি
প্রশ্নঃ – গাছ থেকে যে-জিনিসটি পাওয়া যায় না সেটি হল-
(i) কাগজ
(ii) গঁদের আঠা
(iii) কুইনাইন
(iv) ছানা
উত্তর: ছানা।
(শূন্যস্থান পূরন করো – ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – প্রথম অধ্যায় “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” প্রশ্ন ও উত্তর | WBBSE Class 6th Poribesh O Biggan Question and Answer)
প্রশ্নঃ – কোন মৌলের পরমাণুদের জোটবদ্ধ অবস্থা কে _____ বলে।
উত্তর : অণু
প্রশ্নঃ – জাবপোকা যে শর্করা সমৃদ্ধ বর্জ্য ত্যাগ করে তার নাম হলো _____ ।
উত্তর : হানি ডিউ
প্রশ্নঃ – গো-বক আর _____মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্ক দেখা যায়।
উত্তর: গোরুর।
প্রশ্নঃ – পিঁপড়ে ও _____ হলো দুই মিথোজীবী প্রাণী।
উত্তর : জাব পোকা
প্রশ্নঃ – পালিশ করার জন্য প্রয়োজনীয় _____গাছ থেকে পাওয়া যায়।
উত্তর: রজন।
প্রশ্নঃ – পদার্থের অনুর গঠনের পরিবর্তন হয় _____ পরিবর্তনের ফলে।
উত্তর : রাসায়নিক
প্রশ্নঃ – দুধ থেকে দই এ পরিণত করতে _____ অনুজীব টি সাহায্য করে।
উত্তর : ল্যাকটোব্যাসিলাস
প্রশ্নঃ – লোহায় মরচে পড়া _____ পরিবর্তনের উদাহরণ।
উত্তর : রাসায়নিক
প্রশ্নঃ – তাপ ও তড়িৎ এর সুপরিবাহী একটি অধাতু হল _____ ।
উত্তর : গ্রাফাইট
প্রশ্নঃ – কুইনাইন পাওয়া যায় _____ গাছের ছাল থেকে।
উত্তর : সিঙ্কোনা
বেমানান শব্দ বা নামটিকে খুঁজে বের করো: WBBSE Class 6 Paribesh O Bigyan Chapter 1 Question Answer
প্রশ্নঃ – তুলোগাছ, উকুন, যক্ষ্মার জীবাণু, স্বর্ণলতা
উত্তর: তুলোগাছ।
(এক কথায় উত্তর দাও – ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – প্রথম অধ্যায় “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” প্রশ্ন ও উত্তর |
WBBSE Class 6th Poribesh O Biggan Question and Answer – ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান (Class 6 Poribesh O Biggan) – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর | পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) | Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর।)
সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও: (পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর)
প্রশ্নঃ – প্রাণীরা কিভাবে গাছেদের ওপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ – খাবারের জন্য : মানুষ সহ বিভিন্ন প্রাণী উদ্ভিদের মূল কাণ্ড পাতা ইত্যাদিকে খাবার রূপে গ্রহণ করে। মানুষ রান্না করে খেলেও গরু-ছাগল ইত্যাদি সরাসরি তা খাই।
বাসা তৈরীর জন্য: কাক, টিয়া কাঠবিড়ালি ইত্যাদি ছাড়াও বিভিন্ন প্রাণী গাছের উপর বাসা তৈরি করে।
প্রশ্নঃ – ভিটামিন A আর D-এর অভাবে আমাদের কী সমস্যা হতে পারে?
উত্তর: ভিটামিন A-এর অভাবে চোখ ও ত্বকের সমস্যা দেখা যায়। ভিটামিন D-এর অভাবে হাড় ও দাঁতের গঠন ব্যাহত হয়।
প্রশ্নঃ – প্রাণী থেকে পায় এমন খাবারের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ – গরু বা ছাগলের দুধ অথবা মুরগির মাংস ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – কারণ ব্যাখ্যা করো: পাউরুটির গায়ে অসংখ্য ফুটো দেখা যায়।
উত্তর : পাউরুটি তৈরীর জন্য ময়দার সাথে এককোষী ছত্রাক ইস্ট মেশানো হয়। এর ফলে অ্যালকোহল ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। এই কার্বন ডাই-অক্সাইড ময়দার ভেতর থেকে বেরোনোর সময় অসংখ্য ফুটো তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ – পরিবহণে সাহায্য করে এমন চারটি প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর: গোরু, মহিষ, উট ও ঘোড়া।
প্রশ্নঃ – চাষের জমিতে ব্যবহৃত হয় এমন দুটি আধুনিক যন্ত্রের নাম লেখো।
উত্তর: ট্র্যাক্টর ও কম্বাইন হারভেস্টার।
প্রশ্নঃ – দুধ থেকে কীভাবে দই তৈরি হয়?
উত্তর: দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটোজ শর্করাকে দই-এর সাজাতে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটিক অ্যাসিডে পরিণত করে, এভাবে উন্ন আবহাওয়াতে টক স্বাদযুক্ত দই তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ – দুটি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম লেখো।
উত্তর: ল্যাকটোব্যাসিলাস ও স্ট্রেপ্টোমাইসিস।
প্রশ্নঃ – জলের ক্লোরিন মেশানো হয় কেন?
উত্তর : জলের মধ্যে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস ও প্রোটোজোয়া থাকে যা বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করে। জলে ক্লোরিন মেশালে এই সমস্ত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি নষ্ট হয়ে যায় এবং জল বিশুদ্ধ হয়।
প্রশ্নঃ – দুটি উপকারী ছত্রাকের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ইস্ট ও পেনিসিলিয়াম।
প্রশ্নঃ – মানুষ কিভাবে গাছেদের ওপর নির্ভর করে?
উত্তরঃ – মানুষ বিভিন্নভাবে গাছেদের ওপর নির্ভর করে।যেমন:
খাবারের জন্য : চাল, আটা, শাক-সবজি ইত্যাদি সবই উদ্ভিদ বা গাছ থেকে পাওয়া যায়।
ঘর বাড়ি ও আসবাব তৈরিতে : ঘরের কাঠের আসবাব, ঘরের চালা দেওয়া ইত্যাদি তৈরিতে গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করা হয়।
জামা কাপড় তৈরীর জন্য : শিমুল , পাট, কার্পাস ইত্যাদি গাছ থেকে পাওয়া তন্তু দিয়ে সুতো এবং সেই সুতো দিয়ে জামা কাপড় তৈরি হয়।
অন্যান্য জিনিসের জন্য : ওষুধের জন্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করা হয়। যেমন কালমেঘের পাতা, সর্পগন্ধার মূল ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – দুটি প্রাণীগোষ্ঠীর মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্কের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: দুটি প্রাণীগোষ্ঠীর মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্কের একটি উদাহরণ হল-পিঁপড়ে ও জাবপোকা। এ ছাড়া গন্ডার ও গো-বক।
প্রশ্নঃ – যে-কোনো চারটি প্রাণীজাত খাবারের নাম লেখো।
উত্তর: ডিম, মাছ, মাংস ও দুধ।
প্রশ্নঃ – কটি মোমবাতি জ্বালিয়ে কাচের গ্লাস দিয়ে ঢাকা দিলে কি ঘটনা ঘটবে এবং কেন?
উত্তর : কিছুক্ষণ জ্বলার পর মোমবাতিটি নিভে যাবে। কারণ, মোমবাতি জ্বলার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। কাচের গ্লাসের মধ্যে যতটুকু অক্সিজেন থাকবে সেটার সাহায্যে মোমবাতিটুকু জ্বলবে, অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার পর মোমবাতি নিভে যাবে।
প্রশ্নঃ – চারটি দুগ্ধজাত খাবারের নাম লেখো।
উত্তর: ঘি, মাখন, দই, ছানা।
প্রশ্নঃ – সিল্ক বা রেশম কী?
উত্তর: রেশম মথের পরিণত লার্ভার রেশমগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত
যে-প্রোটিনযুক্ত ক্ষরণ পদার্থ বাতাসের সংস্পর্শে কঠিন, উজ্জ্বল, চকচকে তন্তুতে পরিণত হয়, তাকে সিল্ক বা রেশম বলে।
প্রশ্নঃ – গাজরের কোন অংশ আমরা খাবার হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তরঃ – গাজরের মূল আমরা খাবার হিসেবে গ্রহণ করি।
প্রশ্নঃ – পরজীবী কাদের বলে?
উত্তর : যেসব জীব বেঁচে থাকার জন্য অন্য জীবের উপর নির্ভর করে তাকে পরজীবী বলে।
যেমন উকুন, স্বর্ণলতা ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – আদার কোন অংশ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তরঃ – আদার কান্ড আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
প্রশ্নঃ – পশ্চিমবঙ্গের কোথায় রেশম চাষ হয়?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুরশিদাবাদ, বাঁকুড়া ইত্যাদি জেলায় রেশম চাষ হয়।
প্রশ্নঃ – পশম বা উল কী?
উত্তর: ভেড়া, বিশেষ জাতের পাহাড়ি ছাগল বা অন্যান্য প্রাণীদের চামড়ার ওপর থেকে সংগৃহীত লোম থেকে যে-তত্ত্ব সংগ্রহ করা হয়, তাকে পশম বা উল বলে।
প্রশ্নঃ – কয়েকটি সামুদ্রিক মাছের নাম লেখো যাদের যকৃৎ নিঃসৃত তেল ভিটামিনসমৃদ্ধ?
উত্তর: কড, হাঙর, হ্যালিব্যাট ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – চালতার কোন অংশ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তরঃ – চালতার বৃতি আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
প্রশ্নঃ – কুমড়োর কোন অংশ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তরঃ – কুমড়োর ফল, ফুল ও কান্ড আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।
প্রশ্নঃ – কয়েকটি ভেষজ উদ্ভিদের উদাহরণ দাও।
উত্তর: কয়েকটি ভেষজ উদ্ভিদ হল-সর্পগন্ধা, নিম, তুলসী, সিঙ্কোনা প্রভৃতি।
প্রশ্নঃ – পরাগমিলন কাকে বলে?
উত্তর: যে-পদ্ধতিতে কোনো ফুলের পরাগধানী থেকে উৎপন্ন পরাগরেণু নানান বাহকের দ্বারা (জল, বায়ু, প্রাণী) সেই ফুলের বা সেই জাতীয় অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে পরাগযোগ হয়, তাকে পরাগমিলন বলে।
প্রশ্নঃ – পরাগমিলনে সাহায্যকারী চারটি পতঙ্গের নাম লেখো।
উত্তর: মৌমাছি, বোলতা, ফড়িং ও প্রজাপতি।
প্রশ্নঃ – পরভোজী জীব বা খাদক কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব জীব প্রধানত প্রাণী, যারা নিজেদের দেহে খাদ্য সংশ্লেষ করতে না পারায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উৎপাদক সবুজ উদ্ভিদের ওপর নির্ভর করে, তাদের পরভোজী জীব বলে। উদাহরণ: মানুষ সহ অন্যান্য প্রাণী।
প্রশ্নঃ – তৃণভোজী বা প্রাথমিক খাদক কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে-সমস্ত প্রাণী উদ্ভিদের দেহাংশ (লতাপাতা, ঘাস, কাণ্ড, ফলমূল) খাদ্যরূপে গ্রহণ করে, তাদের তৃণভোজী প্রাণী বা শাকাশী প্রাণী বলে। উদাহরণ: গোরু, ছাগল, হরিণ, ঘোড়া, হাতি, গন্ডার ইত্যাদি প্রাণী।
প্রশ্নঃ – মাংসাশী প্রাণী কাদের বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব প্রাণী তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, তাদের মাংসাশী প্রাণী বলে।
উদাহরণ: বাঘ, সিংহ, হায়না ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – দুটি উদ্ভিদগোষ্ঠীর মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্কের একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: দুটি উদ্ভিদগোষ্ঠীর মধ্যে মিথোজীবী সম্পর্কের একটি উদাহরণ হল-লাইকেন, শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থান।
প্রশ্নঃ – তন্তু কাকে বলে?
উত্তরঃ – সুতো যে সরু সরু সূক্ষ্ম অংশ দিয়ে গঠিত তাকে তন্তু বলে।
কাপড় → সুতো → তন্তু
প্রশ্নঃ – তন্তু দিয়ে কি তৈরি হয়?
উত্তরঃ – তন্তু দিয়ে দড়ি তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ – তুলো গাছ এর আরেক নাম কি?
উত্তরঃ – কার্পাস।
প্রশ্নঃ – সুতির জামা কাপড় কি দিয়ে তৈরি?
উত্তরঃ – তন্তু দিয়ে ।
প্রশ্নঃ – কোন কোন গাছ থেকে তন্তু পাওয়া যায়?
উত্তরঃ – শিমুল, কার্পাস, পাট, নারকোল ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – রজন কোন গাছ থেকে পাওয়া যায় ? এর কাজ কি?
উত্তরঃ – রজন পাওয়া যায় পাইন বা শাল এর মত গাছ থেকে।
কাঠ পালিশ করতে রজন ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ – রবার পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে? এর কাজ কি?
উত্তরঃ – রবার পাওয়া যায় রবার গাছ থেকে।
রাবার দিয়ে গাড়ির টায়ার, পেন্সিলের দাগ মোছার ইরেজার ইত্যাদি তৈরি করা হয়।
প্রশ্নঃ – পেন্সিলের দাগ মোছার ইরেজার কি দিয়ে তৈরি করা হয়?
উত্তরঃ – রবার দিয়ে।
প্রশ্নঃ – কুইনাইন কি থেকে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ – সিঙ্কোনা গাছের ছাল থেকে।
প্রশ্নঃ – গাছের ডালে বাস করে এমন দুটি প্রাণীর নাম লেখো।
উত্তর: বানর ও শ্লথ।
প্রশ্নঃ – তন্তু কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর: কৃত্রিম বা প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম খুব সরু সুতো গঠনকারী অংশগুলিকে তন্তু বলে। যেমন: পাট তত্ত্ব।
প্রশ্নঃ – প্রাকৃতিক তন্তু পাওয়া যায় এমন দুটি গাছের নাম লেখো।
উত্তর: কার্পাস ও পাট গাছ।
প্রশ্নঃ – এমন দুটি গাছের নাম লেখো যার থেকে আমরা কাগজ তৈরি করে থাকি।
উত্তর: বাঁশ ও শন গাছ।
প্রশ্নঃ – কৃত্রিম তন্তু কাকে বলে? দুটি কৃত্রিম তন্তুর উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব তন্তু মানুষ পরীক্ষাগারে রাসায়নিক উপায়ে তৈরি করে, তাদের কৃত্রিম তন্তু বলে।
দুটি কৃত্রিম তন্তুর উদাহরণ হল-নাইলন, রেয়ন।
প্রশ্নঃ – প্রাণীজ তন্তু কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব তন্তুর উৎস প্রাণী অর্থাৎ, প্রাণীদেহের থেকে প্রাপ্ত তত্ত্বকেই প্রাণীজ তন্তু বলে। উদাহরণ: রেশমতত্ত্ব, পশমতত্ত্ব।
প্রশ্নঃ – প্রাকৃতিক রবারের দুটি ব্যবহার উল্লেখ করো।
উত্তর:
(i) প্রাকৃতিক রবারের ব্যবহার: মোটরগাড়ির টায়ার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
(ii) পেনসিলের দাগ মোছার জন্য ইরেজার তৈরিতে ও নানান জল নিরোধক বস্তু তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নঃ – ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ কি থেকে তৈরি হয়?
উত্তরঃ – ম্যালেরিয়া রোগের ওষুধ তৈরি হয় কুইনাইন থেকে। কুইনাইন পাওয়া যায় সিঙ্কোনা গাছের ছাল থেকে।
প্রশ্নঃ – গাছেরা খাবার তৈরি সময় কোন গ্যাস গ্রহণ করে এবং কোন গ্যাস ত্যাগ করে?
উত্তরঃ – গাছেরা খাবার তৈরীর সময় কার্বণ-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে।
প্রশ্নঃ – পরাগ মিলন কাকে বলে?
উত্তরঃ – প্রাকৃতিক ভাবে কিংবা কোন পতঙ্গের গায়ে লেগে ফুলের পরাগরেণু যখন এক ফুল থেকে আরেক ফুলে এসে পড়ে, তখন সেই প্রক্রিয়াকে পরাগমিলন বলে।
প্রশ্নঃ – বাদুর কিভাবে উদ্ভিদের বংশ বিস্তারে সাহায্য করে?
উত্তরঃ – বাদুর ফল খেয়ে ফলের বীজ গুলো হজম করতে পারে না। ফলে ওই বীজগুলো তার মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এইভাবে বিভিন্ন প্রাণীদের মল ত্যাগের মাধ্যমে হজম না হওয়া বীজগুলো দূরে দূরে নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। আর এক সময় ওই বীজগুলো থেকে চারা গাছ জন্মায়। গাছটা যে জায়গায় ছিল সেই জায়গা থেকে দূরে গাছের ফল আর বীজ এইভাবে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশ্নঃ – বন বিড়াল ও শিয়াল কিভাবে ফল ও বীজ এর বিস্তারে সাহায্য করে?
উত্তরঃ – চোরকাটা নামক ফলগুলি বনবিড়াল ইত্যাদি সহ প্রাণীদের গায়ে লেগে যায়। পরে ওই ফলগুলি প্রাণীদের শরীর থেকে খসে বিভিন্ন জায়গায় পড়ে এবং ফল ও বীজ এর বিস্তার ঘটে।
প্রশ্নঃ – ধানক্ষেতে এজোলা চাষ করা হয় কেন?
উত্তরঃ – ধান ক্ষেতে অ্যাজোলা পানা চাষ করলে জমিতে আর সার দিতে লাগে না। আসলে এগুলো এক ধরনের পানা এদের পাতার মধ্যে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে যারা বাতাসের নাইট্রোজেন কে বেঁধে ফেলতে পারে । তাতে অ্যাজোলার উপকার হয় কারণ স্যারের জন্য নাইট্রোজেন লাগে আর অ্যাজোলা তার পাতায় ওই ব্যাকটেরিয়াকে থাকবার জায়গা দেয় । এতে দুজনেরই বোঝাপড়া থাকে সুতরাং দুজনেরই উপকার হয়।
প্রশ্নঃ – মিথোজীবিতা কাকে বলে?
উত্তরঃ – প্রকৃতিতে এক ধরনের সম্পর্ক যেখানে দুই বা তার বেশি জীব একে অপরকে সাহায্য করে বেঁচে থাকে সেটাই হলো মিথোজীবিতা।
প্রশ্নঃ – হানিডিউ কি?
উত্তরঃ – জাবপোকা গাছের শর্করা সমৃদ্ধ রস শোষণ করে শর্করা সমৃদ্ধ বর্জ্য ত্যাগ করে এই বর্জ্যের নাম হানিডিউ।
প্রশ্নঃ – সাগর কুসুম ও ক্লাউন মাছ কিভাবে একে অপরকে সাহায্য করে?
উত্তরঃ – ক্লাউন মাছ থাকে সাগর কুসুম এর সঙ্গে। সে সাগর কুসুম এর শত্রু যেমন বাটারফ্লাই মাছ কে তাড়িয়ে দেয়। আর সাগর কুসুমের খাবারের পড়ে থাকা অংশের ভাগ পায় ক্লাউন মাছ। আবার অনেক সময় ক্লাউন মাছকে তাড়া করে আসা প্রাণীরা সাগর কুসুমের শিকার হয়।
প্রশ্নঃ – ম্যালেরিয়ার জীবাণু কোন অঙ্গে বাসা বাঁধে?
উত্তরঃ – ম্যালেরিয়ার জীবাণু যকৃত ও লোহিত রক্ত কণিকায় বাসা বাঁধে।
প্রশ্নঃ – আমাশয়ের জীবাণু কোন অঙ্গে বাসা বাঁধে?
উত্তরঃ – আমাশয়ের জীবাণু অন্ত্রে বাসা বাঁধে।
প্রশ্নঃ – সাগরকুসুম ও সন্ন্যাসী কাঁকড়া কিভাবে একে অপরকে সাহায্য করে?
উত্তরঃ – সাগরকুসুম ও সন্ন্যাসী কাকড়ার মিথোজীবিতা: সন্ন্যাসী কাকড়ার পেটের অংশটা নরম। তাই সে বাসা বাঁধে প্রকৃত সামুদ্রিক প্রাণীর খোলসে। আর সন্ন্যাসী কাঁকড়া পিঠে করে বয়ে নিয়ে বেড়ায় সাগরকুসুমকে। সন্ন্যাসী কাকড়ার দেহ যখন বাড়ে সাগরকুসুম ও সন্ন্যাসী কাঁকড়া কে ঢেকে রাখে। সাগরকুসুম তার বিষাক্ত কাঁটার সাহায্যে সন্ন্যাসী কাঁকড়াকে রক্ষা করে। সন্ন্যাসী কাঁকড়া খাবারের খোঁজে গেলে সাগরকুসুম ও সেই খাবারের ভাগ পায়।
প্রশ্নঃ – মাংসাশী প্রাণী কাকে বলে?
উত্তরঃ – যেসব প্রাণীরা অন্য প্রাণী দের খায় তাদের মাংসাশী প্রাণী বলে ।যেমন বাঘ, সিংহ ইত্যাদি ।
প্রশ্নঃ – তৃণভোজী প্রাণী কাকে বলে?
উত্তরঃ – যেসব প্রাণী লতাপাতার ঘাস ফুল ফল ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকে তাদের তৃণভোজী প্রাণী বলে। যেমন হরিণ ছাগল গরু ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – পরজীবী প্রাণী কাকে বলে?
উত্তরঃ – যেসব প্রাণীরা অন্য প্রাণীদের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে তাদের পরজীবী বলে । যেমন উকুন।
প্রশ্নঃ – একটি বহিঃ পরজীবীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ – উকুন একটি বহিঃ পরজীবী।
প্রশ্নঃ – একটি অন্ত পরজীবীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ – কৃমি একটি অন্তঃপরজীবি।
প্রশ্নঃ – যক্ষার জীবাণু কোন অঙ্গে বাসা বাঁধে?
উত্তরঃ – যক্ষার জীবাণু ফুসফুস , হাড় ইত্যাদি অঙ্গে বাসা বাঁধে।
প্রশ্নঃ – সিল্ক কোথা থেকে পাওয়া যায়?
উত্তরঃ – সিল্ক পাওয়া যায় রেশম মথ থেকে।
প্রশ্নঃ – অ্যাজোলা-র পাতায় থাকা ব্যাকটেরিয়া কীভাবে অ্যাজোলা-র উপকার করে?
উত্তর: অ্যাজোলা-র পাতায় থাকা সায়ানোব্যাকটেরিয়া অ্যানাবিনা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে অ্যাজোলা-র বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
প্রশ্নঃ – পরিবেশ কাকে বলে?
উত্তর: নানান নির্জীব (Abiotic) এবং সজীব (Biotic) উপাদান দ্বারা গঠিত এমন এক পারিপার্শ্বিক অবস্থার সমবায়, যা জীবের জীবন প্রক্রিয়াগুলিকে প্রভাবিত করে, তাকে পরিবেশ বলে।
প্রশ্নঃ – কড হাঙ্গরের যকৃতের তেলে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
উত্তরঃ – ভিটামিন A ও D পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ – পরিবেশ পরিষ্কার রাখে এমন দুটি প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তরঃ – শকুন, কাক ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ – পরিবেশের সজীব উপাদান কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
উত্তর: পরিবেশের যে-সকল উপাদান উত্তেজনায় সাড়া দেয়, যাদের প্রাণের স্পন্দন এবং জন্ম, বৃদ্ধি ও মৃত্যু আছে, তাদের সজীব উপাদান বলে। যেমন-উদ্ভিদ ও প্রাণী।
প্রশ্নঃ – পাখিরা কীভাবে বাসা বানায়?
উত্তর: পাখিরা গাছের শুকনো ডাল, পাতা দিয়ে বাসা বানায়। গাছের ছোটো ডালে শুকনো খড়, ছোটো ডাল সাজিয়ে কাক, শালিক প্রভৃতি পাখি বাসা বানায়। কোনো কোনো পাখি গাছের পাতাকে সেলাই করে বা মুড়ে বাসা তৈরি করে। টুনটুনি ও বাবুই পাখি বিশেষ পদ্ধতিতে বাসা বানায়।
প্রশ্নঃ – হাল-বলদ এর থেকে ট্রাক্টর ব্যবহারের সুবিধাজনক কেন?
উত্তরঃ – হাল বলদ এর সাহায্যে লাঙ্গল-চষা সময় চাষির পরিশ্রম হতো অনেক। একটানা অনেকক্ষণ চাষ করতে পারত না তাছাড়া অনেক সময় লেগে যেত। ট্রাক্টর ব্যবহারে কাজ অনেক সহজ হয়ে উঠেছে। একটা না অনেক চাষ করা যায় এবং বিশ্রাম এর প্রয়োজন কম লাগে।
প্রশ্নঃ – দুধ থেকে দই তৈরিতে কোন ব্যাকটেরিয়া লাগে?
উত্তরঃ – ল্যাকটোব্যাসিলাস।
প্রশ্নঃ – কিভাবে দুধ থেকে দই এ পরিণত হয়?
উত্তরঃ – দুধের মধ্যে দইয়ের সাজা মিশিয়ে রেখে দেওয়া হয়। ওড়িশা যার মধ্যে থাকে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া দুধে এক ধরনের এসিড তৈরি করে। সেই এসিডের নাম লেখ ঠিক আছে আরো নানান পরিবর্তন ঘটে দুধ দই এ পরিণত হয়।
প্রশ্নঃ – পাউরুটি তৈরিতে কোন ছত্রাক ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ – ইস্ট
প্রশ্নঃ – পাউরুটির গায়ে ফুটো থাকে কেন?
উত্তরঃ – ময়দা বা আটা এর সাথে জল আর ইস্ট নামক এককোষী ছত্রাক মেশানো হয়। ময়দা বা আটায় থাকা শর্করাকে ইস্ট ভেঙে ফেলে আর তৈরি করে কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর অ্যালকোহল। ময়দা বা আটা মিশ্রণকে ফুলে-ফেঁপে উঠতে সাহায্য করে এই কার্বন-ডাই-অক্সাইড । পরে ওই মিশ্রণ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেরিয়ে যায় আর পাউরুটির গায়ে ফুটো ফুটো হয়ে যায়।
প্রশ্নঃ – লাল পিঁপড়ে কিভাবে বাসা বানায়?
উত্তরঃ – লাল পিঁপড়ে যেকোনো চওড়া বা গোল পাতাওয়ালা গাছের পাতা মুড়ে সেগুলো কে জোড়া লাগিয়ে বাসা বানায়।
প্রশ্নঃ – কোন গাছের কোন অংশ দিয়ে হাত পাখা তৈরি হয়?
উত্তরঃ – তাল গাছের পাতা দিয়ে হাত পাখা তৈরি হয়।
প্রশ্নঃ – স্টেপটোমাইসেস কি?
উত্তরঃ – স্টেপটোমাইসেস হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি। এই প্রজাতি থেকে প্রায় 50 টা আরো বেশি ব্যাকটেরিয়া নাশক ছত্রাক নাশক আর পরে বিচি পরজীবীনাশক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি হয়। স্টেপটোমাইসিন, এরিথ্রোমাইসিন ইত্যাদি হল স্ট্রেপটোমাইসিন থেকে পাওয়া এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ।
প্রশ্নঃ – স্টেপটোমাইসিন কি?
উত্তরঃ – এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ।
প্রশ্নঃ – গাছে বাস করে কিন্তু বাসা বানাতে পারেনা এমন প্রাণীর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ – বাদুড়।
আশাকরি তোমাদের ষষ্ঠ ক্লাসের পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা অধ্যায় থেকে সকল প্রশ্ন ও উত্তর কমপ্লিট হয়েছে। আমরা আমাদের সর্বাঙ্গীণ প্রচেষ্টা করেছি তোমাদের এই ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা অধ্যায় থেকে সব প্রশ্ন উত্তর দেওয়ার জন্য, এখন কাজ হল তোমাদের বাড়িতে পড়ার । পড়তে থাকো , প্র্যাকটিস করতে থাকো, প্র্যাকটিস মানুষকে উত্তম করে তোলে। যত পড়বে তত শিখবে, ততই জ্ঞানী হবে।
তোমাদের ষষ্ঠ ক্লাসের পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা অধ্যায়ের প্রাকটিসের জন্য আমাদের কুইজে অংশগ্রহণ করতে পারো, সম্পূর্ণ ফ্রিতে, নিচে লিঙ্ক দেওয়া আছে কুইজে অংশ নিতে পারো।
ক্লাস ষষ্ঠ এর অন্যান্য অধ্যায় গুলি সম্পর্কে আরও পড়তে চাইলে নিচে অধ্যায় অনুযায়ী লিঙ্ক দেওয়া আছে, লিঙ্কে ক্লিক করে ক্লাস ষষ্ঠ এর অন্য অধ্যায় গুলি পড়ে নাও। আমাদের পরিসেবা তোমাদের ভালো লাগলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে পারো।
তোমরা যারা পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) – ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer (WBBSE) খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারো, আশাকরা যায় যে এখান থেকেই তোমরা কমন পেয়ে যাবে।
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান সাজেশন – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (Poribesh o Jib jogoter Parosparik Nirvorsilota)(prothom odhay / প্রথম অধ্যায় ) প্রশ্ন ও উত্তর
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (Poribesh o Jib jogoter Parosparik Nirvorsilota) (প্রথম অধ্যায় / prothom odhay) – গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর “ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ টপিক ষষ্ঠ শ্রেণীর পরীক্ষা (West Bengal Class Six VI / WB Class 6 / WBBSE / Class 6 Exam / West Bengal Board of Secondary Education – WB Class 6 Exam / Class 6 Class 6th / WB Class VI / Class 6 Pariksha / Pdf note for Free ) এখান থেকে প্রশ্ন অবশ্যম্ভাবী । সে কথা মাথায় রেখে আমাদের www.Poribesh O Bigganbd.in এর পক্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান পরীক্ষা প্রস্তুতিমূলক সাজেশন এবং প্রশ্ন ও উত্তর ( ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান সাজেশন / ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ।
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান “পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা” (প্রথম অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর | পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর।
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর | ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer, Suggestion
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) | পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান সহায়ক – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (প্রথম অধ্যায়) – প্রশ্ন ও উত্তর । Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer, Suggestion | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion | Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer Notes | West Bengal Class 6th Poribesh O Biggan Question and Answer Suggestion.
WBBSE Class 6th Poribesh O Biggan Suggestion | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (দশম অধ্যায়)
WBBSE Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (দশম অধ্যায়) প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর । আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) | Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) – প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর ।
Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer Suggestions | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (দশম অধ্যায়) | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর
Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (দশম অধ্যায়) ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর – পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা (দশম অধ্যায়) MCQ, সংক্ষিপ্ত, রোচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর ।
WB Class Six Poribesh O Biggan Suggestion | ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন ও উত্তর
West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর – আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) MCQ প্রশ্ন ও উত্তর । West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর।
West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion Download WBBSE Class 6th Poribesh O Biggan short question suggestion . Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion download Class 6th Question Paper Poribesh O Biggan. WB Class 6 Poribesh O Biggan suggestion and important question and answer. Class 6 Suggestion pdf.পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান পরীক্ষার সম্ভাব্য সাজেশন ও শেষ মুহূর্তের প্রশ্ন ও উত্তর ডাউনলোড। ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর।
Get the West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer by West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer prepared by expert subject teachers. WB Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion with 100% Common in the Examination .
Class Six VI Poribesh O Biggan Suggestion | West Bengal Board WBBSE Class 6 Exam
Class 6 Poribesh O Biggan Question and Answer, Suggestion Download PDF: WBBSE Class 6 Six VI Poribesh O Biggan Suggestion is provided here. West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan Suggestion Questions Answers PDF Download Link in Free has been given below.
ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan | WBBSE West Bengal Secondary Board
অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমাদের এই ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান – আমাদের দেশ ভারত (দশম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | West Bengal Class 6 Poribesh O Biggan ” পোস্টটি পড়ার জন্য। এই ভাবেই Poribesh O Biggan bd ওয়েবসাইটের পাশে থাকো যেকোনো প্ৰশ্ন উত্তর জানতে এই ওয়েবসাইট টি ফলোকরো এবং নিজেকে তথ্য সমৃদ্ধ করে তোলো , ধন্যবাদ।